কতক্ষণ এবং কিভাবে Sex করছেন? স্ত্রীকে চরম সুখ দিতে পারছেন তো? নাকি স্ত্রীর Orgasm পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছেন না!
আর্টিকেলটি পরিপূর্ণভাবে আসার আগ পর্যন্ত দয়া করে অপেক্ষা করুন!
স্ত্রীর সঙ্গে সেক্স বা ইন্টারকোর্স বা মিলন করার আগে আপনাকে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে তার মধ্যে কিছু হলো Sex Environment, Desire for Sex, Foreplay, Erogenous zones, Clitoris, Orgasm ইত্যাদি। সেই সাথে Intercourse, সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে হলে আপনাকে সেক্সের সাইকেলটাকে আগে ভালোভাবে বুঝতে হবে।
![]() |
| যৌন মিলনের সময় নারীকে অবহেলায় ফেলে না রেখে তার প্রাপ্য অর্গাজমটি দিতে হবে। |
যৌন সম্মতি:
সেক্স করার বিভিন্ন উপায় বা সেক্সের প্রকারভেদ:
আপনি বিভিন্ন উপায়ে সেক্স করতে পারেন;
- Foreplay এর মাধ্যমে যৌন স্বাদ ও উপভোগ করতে পারেন: ফোরপ্লে যৌনতা প্রায়শই একে অপরকে আদর স্নেহ করে, আলিঙ্গন (আলিঙ্গন হল কাউকে জরিয়ে ধরা, একটি আলিঙ্গন বন্ধুত্ব বা ভালবাসা একটি চিহ্ন) করে, চুম্বন করা এবং চাটানোর (চাটা বা অবলেহ করা বা ঠোট এবং জিব্বা দ্বারা প্রহার বা নক করার) মাধ্যমে শুরু হয় এবং একে অপরের (erogenous zones) প্রেমাত্মক ও কাম মূলক অঙ্গ গুলিকে উদ্দীপিত করে। যখন উভয় অংশীদার উত্তেজিত হয়, তখন তারা যৌন মিলন করতে চাইতে পারে।
- Vaginal sex (যোনিপথে যৌন মিলন)- হল একটি শক্ত লিঙ্গ দিয়ে মহিলার যোনিতে প্রবেশের সাথে সাথে (Sex by gently vibrating, sometimes quiet, holding, up and down & sometime vary movements in speed, rhythm and intensity এর মাধ্যমে) যৌন মিলন। অর্থাৎ মহিলাদের প্রসাবের রাস্তায় বা যোনিপথে পুরুষের লিঙ্গ দ্বারা মসৃণ এবং ভদ্রভাবে চলন্ত অবস্থায় কিছু সময় ঢুকানো কিছু সময় বের করানো, কিছু সময় মৃদু কম্পন সৃষ্টি করানো, কিছু সময় যোনি পথের বাহিরে লিঙ্গ রেখে শান্ত থাকা, কিছু সময় যোনি পথের ভিতরে লিঙ্গ রেখে শান্ত থাকা এবং মাঝে মাঝে গতি, ছন্দ এবং তীব্রতায় গতিবিধি পরিবর্তন করা ইত্যাদি ভেজাইনাল সেক্সের মাধ্যমে যৌনতার মিষ্ট স্বাদ উপভোগ করতে পারেন। যার বাস্তব সচিত্র স্বপ্নদোষের মাধ্যমে আপনি কিছুটা উপলব্ধি করতে পারেন।
- সেই সাথে আরো কিছু নিষিদ্ধ সেক্সুয়াল ট্রাম রয়েছে সেগুলি এখানে আলোচনায় বোধগম্য নয়।
Sexual intercourse-যৌন মিলন:
যৌন মিলন হল; যোনিপথে বা মলদ্বারে(×) শক্ত লিঙ্গ দ্বারা ভেদ করা বা অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে থাকে। (যদিও মলদ্বারে লিঙ্গ প্রবেশ করানো ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে)
যোনিপথে প্রবেশ:
Excited From Love and Foreplay 'র মাধ্যমে উত্তেজিত হলে একজন পুরুষ একটি Erection (যৌন মিলনের ঠিক আগের মুহূর্তে প্রস্তুতকৃত শরীর) পেতে পারেন। তখন লিঙ্গ রক্তে ফুলে যায়। এটি বড় এবং কঠিন হয়ে ওঠে এবং এটি উপরের দিকে উঠে যায়। লিঙ্গ শক্ত এবং ফুলে বড় না হলে বুঝতে হবে এটি (Unsuitable for vaginal penetration) মিলনের অনুপযুক্ত।
Excited From Love and Foreplay 'র মাধ্যমে উত্তেজিত হলে একজন মহিলার একটি Erection (যৌন মিলনের ঠিক আগের মুহূর্তে প্রস্তুতকৃত শরীর) পেতে পারেন। তখন যোনিপথ ভিজে যায়, যোনিপথ ভেজা অবস্থায় লিঙ্গকে যোনিপথে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। যোনিপথ ভিজে পিচ্ছিল না হলে বুঝতে হবে এটি মিলনের অনুপযুক্ত।
একজন পুরুষের লিঙ্গ শক্ত এবং বড় না হওয়া পর্যন্ত এবং একজন মহিলার যোনিপথ ভিজে পিচ্ছিল না হওয়া পর্যন্ত (Foreplay) স্নেহ, আলিঙ্গন, চুম্বন, অবলেহ, শরীরের প্রেমাত্মক ও কাম মূলক অংশগুলিকে উদ্দীপিত করে যেতে হবে।
যৌনতার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া:
যৌনমিলনের সময় পুরুষ ও মহিলারা উত্তেজনার বিভিন্ন পর্যায় অনুভব করেন। প্রত্যেকে এই পর্যায়গুলিকে ভিন্নভাবে অনুভব করে। পর্যায়গুলিও প্রতিবার দৈর্ঘ্য এবং তীব্রতায় ভিন্ন হয়। পর্যায়গুলি হল: Desire, Arousal, Plateau, Orgasm, Relaxation, Refractory Period. এই ৬ টি স্তরকে একত্রে sexual response cycle বলা হয়।
i) আগ্রহ বা ইচ্ছা (Desire): যৌন ইচ্ছা অনুভব করার অর্থ হল আপনি যৌন মিলন করতে চান, স্পর্শ করতে চান এবং আপনার সঙ্গী বা নিজেকে স্পর্শ করতে চান। যৌন ইচ্ছা এমন একটি অনুভূতি যে আপনার সঙ্গীর মাধ্যমে আপনার যৌন উত্তেজনা তৈরি হয়নি তারপরও আপনার সেক্সের ইচ্ছার হতে পারে, আবার যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির পরে আপনার সেক্সের ইচ্ছা হতে পারে। কেউ যদি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তাহলে সেক্সের পরবর্তী ধাপে সে পদার্পণ করতে পারবে না।
ii) উত্তেজনা (Arousal): Excitement- এটি একটি আনন্দদায়ক অনুভূতি যা যৌনতার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। যখন একজন পুরুষ বা একজন মহিলা খুব উত্তেজিত হন, তখন তার Orgasm (প্রচন্ড উত্তেজনা বা পরম পুলক) হতে পারে।
আপনি আপনার সঙ্গীকে স্পর্শ করে বা আপনার নিজের স্পর্শ দ্বারা যৌন উত্তেজিত হতে পারেন। তখন আপনার শরীর/আপনার সঙ্গীর শরীর যৌন উত্তেজনায় সাড়া দিবে দেখুন;
- যোনি (Vagina) ভিজে যাবে এবং ভ্যাজাইনাল করিডোর বা যোনিপথের ভেতরের দিকে কিছুটা বড় হতে থাকবে (নারীদের)।

চিত্র vagina: নারীর অভ্যন্তরীণ যৌন অঙ্গের অংশ। যোনি জরায়ুকে শরীরের বাইরের সাথে সংযুক্ত করে। যৌন মিলনের সময় লিঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করে। যোনিপথে শিশুর জন্ম হয়। - Labia ফুলে উঠবে (নারীদের)।
- Clitoris বা ভগাঙ্কুরের গুহাযুক্ত অংশ রক্তে ভরে যাবে, ভগাঙ্কুরটি বড় হবে, উপরের দিকে উঠবে (যেমন পুরুষের লিঙ্গ বড় এবং উপর দিকে উঠতে থাকে) এবং এটি খুব সংবেদনশীল (sensitive) হয়ে যাবে (নারীদের)।
- স্তনের বোঁটা শক্ত হয়ে যাবে (নারীদের)।

চিত্র nipples বা স্তনবৃত্ত: একজন ব্যক্তির স্তনের মাঝখানে ছোট গিঁট। মহিলা এবং পুরুষদের 2টি স্তনবৃন্ত রয়েছে, প্রতিটি স্তনে 1টি। স্তনবৃন্ত খুবই (sensitive) সংবেদনশীল। - লিঙ্গের গহ্বরের শরীর রক্তে পূর্ণ হবে, লিঙ্গ শক্ত, বড় হবে এবং উপরের দিকে উঠবে, একজন পুরুষ তার penis এর erection পেতে থাকবে এবং তার সাথে অন্ডকোষ (Testicle) কিছুটা বড় হতে থাকবে (পুরুষ)।

চিত্র penis: পুরুষের যৌন অঙ্গ। লিঙ্গটি যৌনতা (বীর্যপাত) এবং প্রস্রাব করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কিছু তরল লিঙ্গ থেকে ফোঁটাতে পারে (পুরুষ)।
- হৃৎপিণ্ড দ্রুত স্পন্দিত হবে (পুরুষ এবং মহিলা)।
- শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রেসার কিছুটা বাড়তে থাকবে (পুরুষ এবং মহিলা)।
- আপনার সঙ্গীর প্রতি আপনার যৌন অনুভূতি থাকবে বা যৌন কল্পনা আপনার মাথায় খেলবে (পুরুষ এবং মহিলা)।
- muscle বা পেশী গুলি শক্ত হতে থাকবে (পুরুষ এবং মহিলা)।
- আপনার উত্তেজনা শক্তিশালী হয়ে ওঠবে। এটি একটি খুব তীব্র, আনন্দদায়ক অনুভূতি (পুরুষ এবং মহিলা)।
![]() |
| অণ্ডকোষের ইঙ্গিত সহ মানুষের অভ্যন্তরীণ যৌন অঙ্গ। একজন মানুষের 2টি অণ্ডকোষ আছে। অণ্ডকোষ নতুন শুক্রাণু কোষ তৈরি করে। এগুলি অণ্ডকোষে অবস্থিত, যা লিঙ্গের নীচে ঝুলে থাকে। |
Clitoris বা ভগাঙ্কুর:
খুব খুবই গুরুত্বপূর্ণ মহিলা যৌনাঙ্গের একটি ছোট, অত্যন্ত সংবেদনশীল, যৌন উত্তেজক অংশ। যা যোনিপথের খোলার ঠিক উপরে অবস্থিত, ভালভা এর পূর্ববর্তী প্রান্তে। অর্থাৎ মহিলা যৌনাঙ্গের উপরের প্রান্ত Clitoris এবং নিচের প্রান্ত Vulva অবস্থিত। যেখানে ভিতরের ল্যাবিয়া একত্রিত হয়েছে।
![]() |
| চিত্র clitoris: যৌনাঙ্গের উপরে ছোট্ট একটি মাংসের টুকরা এবং দুই পাশে পাপড়ির পাশ দিয়ে ছড়িয়ে আছে। মূলত এই অংশের ওপর নাড়াচাড়ার মাধ্যমে নারীন অর্গাজম বা পরম শান্তি লাভ হয়। |
যেহেতু Clitoris এর উপরে নাড়াচাড়া বা আদর করার মাধ্যমে নারীর Orgasm বা পরম উত্তেজিত হয় বা বীর্যপাতের মাধ্যমে পরম শান্তি অর্জিত হয়, সেহেতু Clitoris কে কিভাবে উত্তেজিত করা যায় বা আদর করা যায় সেই পদ্ধতি একজন পুরুষকে সর্বাগ্যে জানতে হবে।
Sexual pleasure-যৌন আনন্দ বা যৌন সুখ;
যৌন আনন্দ যৌন অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত হতে পারে এমন ভাল এবং আনন্দদায়ক অনুভূতিগুলিকে বর্ণনা করে। এই অনুভূতিগুলি প্রায়শই যৌন যোগাযোগ থেকে আসে তবে চিন্তাভাবনা এবং কল্পনা থেকেও আসতে পারে।
আপনি যখন নিজেকে এবং আপনার সঙ্গীকে যৌন আনন্দ দিতে পারেন......!
একে অপরকে বা নিজেকে আদর করা, আপনার সঙ্গীকে চুম্বন করুন এবং নিজেকে চুম্বন করতে দিন, আপনার জিহ্বা দিয়ে আপনার সঙ্গীকে স্পর্শ করুন বা আপনার সঙ্গীর জিহ্বা দ্বারা নিজেকে স্পর্শ করুন …
![]() |
| চিত্র A woman and a man kissing each other: চুম্বন হলো ঠোঁট দিয়ে কাউকে স্পর্শ করা। একটি চুম্বন বন্ধুত্ব বা ভালবাসার একটি চিহ্ন। |
মুখ, ঘাড়, চেহারা, যোনি এবং ভালভা (মহিলা), লিঙ্গ এবং অণ্ডকোষ (পুরুষ), নিতম্ব, মলদ্বার, উরুর ভিতরে, স্তন (নারী) / বুক (পুরুষ), স্তনবৃন্ত, হাত, হাতের আঙ্গুল, পায়ের আঙ্গুল, পায়ের তলায়, কানের লতি, নাভি, পেট ইত্যাদি।
Erogenous zones- শরীরে যৌন সংবেদনশীল বিন্দু। যদি শরীরের এই বিন্দুগুলিকে উদ্দীপিত করা হয়, তাহলে আপনি যৌন উত্তেজনা পেতে পারেন।
sexual organs- যৌন আনন্দ অনুভব করার জন্য যৌন অঙ্গগুলিও গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষ এবং মহিলাদের দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য (অভ্যন্তরীণ) যৌন অঙ্গ রয়েছে। দৃশ্যমান (বাহ্যিক) যৌন অঙ্গগুলি হল একজন পুরুষের লিঙ্গ এবং একজন মহিলার ল্যাবিয়া এবং অদৃশ্য (অভ্যন্তরীণ) যৌন অঙ্গগুলি উদাহরণস্বরূপ পুরুষের প্রোস্টেট এবং একজন মহিলার জরায়ু।
নিচের চিত্রগুলির মাধ্যমে পুরুষ এবং মহিলাদের সামনে এবং পিছনের Sexual pleasure বা Erogenous zones বা sexual organs গুলি চিহ্নিত করা হয়েছে;
![]() |
| Perineum- অণ্ডকোষ (পুরুষ)/যোনি (মহিলা) এবং মলদ্বারের মধ্যবর্তী ত্বক। পুরুষ এবং মহিলা উভয় ক্ষেত্রেই Perineum একটি Erogenous zones। |
পুরুষদের যৌন তৃপ্তির প্রধান অঙ্গ হচ্ছে লিঙ্গ, Foreplay এবং Testicle এর মাধ্যমে এবং নারীদের Erogenous zones ব্যবহার করে এটিকে উত্তেজিত করা যায়। আর যৌন তৃপ্তির জন্য নারীদের প্রধান অঙ্গ হলো Clitoris. Foreplay এবং বাইরে থেকে Vulva র মাধ্যমে এটিকে উত্তেজিত করা যায় অথবা (vagina-নারীর যৌনাঙ্গ) ভ্যাজাইনার মাধ্যমে ভেতর থেকে লিঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ দ্বারা Clitoris কে খুব ভালোভাবে উত্তেজিত করা যায়।
তবে মনে রাখবেন ভ্যাজাইনাল অর্গাজম বলে কিছুই নেই, ভ্যাজাইন তেমন কোন অনুভূতি নেই অর্থাৎ নারী যৌনাঙ্গের ভিতরে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়েই ক্লান্ত হওয়ার মধ্যে সফলতা নেই। যৌনাঙ্গের ভিতরে, দুই পাশে, এবং উপরে যে Clitoris এর অবস্থান, সেটাকে tuch করাই হচ্ছে প্রধান target. কারণ প্রতিটি orgasm clitoris এর মাধ্যমেই ঘটে এবং এটাই সেরা অনুভূতি।
পুরুষের উচিত Clitoris সহ নারীর কোন কোন অংশে স্পর্শ বা আদর করলে নারী চরম উত্তেজিত হয় বা পরম পরিতৃপ্তি পায়, তা খুঁজে বের করা অথবা নারীর উচিত সেই অঙ্গ বা অংশগুলিকে পুরুষকে দেখিয়ে দেয়া যেন পুরুষ সেই অংশগুলি বার বার use বা আদর করতে পারে। এভাবে স্বামী-স্ত্রী দুজনে সমন্বয় করে পরম তৃপ্তি লাভ করতে পারেন।
iii) Plateau: উত্তেজনা আরও বাড়ার পর কিছুক্ষণ থমকে থাকা:
এটি একটি (period of little change) সামান্য পরিবর্তনের সময়কাল। যেখানে পরবর্তী স্টেজ orgasm এ পৌঁছানোর আগ মুহূর্তে Plateau কিছু সময় উত্তেজনা ধরে থাকে। যেখানে শ্বাসের গতি, প্রেশার, হার্টবিট আরেকটু বেড়ে যায় (পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের)। পুরুষের লিঙ্গের মাথা (Glan) আরো বেশি ফুলে যায়। মহিলাদের যোনিপথের বাইরের দিকের কিছু অংশ সংকোচন এবং প্রসারণের তারতম্য ঘটে clitoris কিছুটা ছোট হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে sink করা শুরু করে। এই স্তরেই পুরুষেরা সবচেয়ে বেশি fall করে অর্থাৎ এরপরের stage, orgasm পর্যন্ত তার সঙ্গীকে নিয়ে যেতে পারে না।
iv) প্রচণ্ড উত্তেজনা বা কাম ক্রোধ ইত্যাদির চরম অবস্থা (Orgasm):
যৌন উত্তেজনা- অর্গাজম যৌন উত্তেজনার চূড়ান্ত অবস্থা বা উত্তেজনার উঁচু পর্যায়। এটি একটি তীব্র আনন্দদায়ক অনুভূতি। আপনার সমস্ত পেশী সংকুচিত হয়। একজন পুরুষের জন্য প্রচণ্ড উত্তেজনা সাধারণত বীর্যপাত দ্বারা সম্পাদিত হয়। এই অবস্থায় মহিলাদের যোনিপথের ভিতরের ওয়াল বারবার সংকোচন এবং প্রসারণ ঘটে। অর্গ্যাজমের পর শরীর শিথিল হয়ে যায়।
এটি একটি মনোরম অনুভূতি যা যৌনতার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। যখন একজন পুরুষ বা একজন মহিলা খুব উত্তেজিত হয়, তখন তার Orgasm বা বীর্যপাত হতে পারে।
আপনি উভয়ই কী পছন্দ করেন কীভাবে কি করতে পছন্দ করেন এবং কখন আপনি কিছু সময়ের পরে প্রচণ্ড উত্তেজনা (orgasm) অনুভব করতে পারেন তা আপনি কেবল আবিষ্কার করতে পারবেন বা বুঝতে পারবেন, ঠিক তখনই কেবল সেই অঙ্গ ভঙ্গিমা বা পছন্দের সেই কাজটি বারবার করে চূড়ান্ত উত্তেজনা বা Orgasm এর স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন। তখন আপনার শুরুতেই বা সবসময় একটি প্রচণ্ড উত্তেজনা বা বীর্যপাতের প্রয়োজন হবে না। এই বিষয়টি বুঝতে পারলে? একবার বীর্যপাতের আগেই একাধিকবার অর্গাজম তথা চূড়ান্ত পুলকিত উত্তেজনা বা প্রচন্ড সাধ গ্রহণ করতে পারবেন।
একে অপরকে আরও ভালভাবে জানুন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। প্রচন্ড উত্তেজনা বা orgasm এর জন্য একে অপরকে সাহায্য করুন, এবং প্রচন্ড পুলকে নিজেদেরকে ভরিয়ে দিয়ে orgasm এর মাধ্যমে Sexual Intercourse শেষ করুন।
পুরুষ এবং নারীর Orgasm আলাদা আলাদা:
যৌন মিলনের সময় পুরুষ এবং মহিলারা উত্তেজনার বিভিন্ন পর্যায়ে যেতে পারেন। উত্তেজনার এই বিভিন্ন পর্যায়ে থাকতে থাকতে একটা সময় তার সর্বশেষ বা উত্তেজনার চূড়াই পৌঁছে যায় আর সেই সর্বোচ্চ উত্তেজনার পর্যায় হল প্রচণ্ড উত্তেজনা বা orgasm।
পুরুষের Orgasm:
একটি orgasm হল আপনার শরীরে যৌন শক্তির মুক্তি। একটি orgasm মানে হলো আরাম, শান্তি, তীব্র ভালো লাগার অনুভূতি। এই অবস্থায় pelvic floor muscles সংকুচিত হবে এবং শক্ত হয়ে যাবে (পুরুষ মহিলা উভয়ের)।
পুরুষদের সাধারণত অর্গ্যাজম হলেই বীর্যপাত হয়। অর্থাৎ বীর্যপাতের মাধ্যমে অর্গাজম সংঘটিত হয়। আর তখনই লিঙ্গ থেকে বীর্য (Semen) বের হয়। পরুষের কেবল বীর্যপাতের মাধ্যমেই অর্গাজম সংঘটিত হয়।
একটি orgasm হল আপনার শরীরে যৌন শক্তির মুক্তি। একটি orgasm মানে হলো আরাম, শান্তি, তীব্র ভালো লাগার অনুভূতি। এই অবস্থায় pelvic floor muscles সংকুচিত হবে এবং শক্ত হয়ে যাবে (পুরুষ মহিলা উভয়ের)।
কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে, যখন তাদের অর্গ্যাজম হয় তখন যোনি থেকে সামান্য পাতলা তরল প্রবাহিত হয়। এটি বীর্যপাতের অনুরূপ। নারীরা বিভিন্ন উপায়ে Orgasm বা প্রচণ্ড উত্তেজনায় পৌঁছাতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ এর মাধ্যমে:
- Clitoris বা ভগাঙ্কুরের উদ্দীপনা সৃষ্টির মাধ্যম;
- যোনাঙ্গে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে;
- শরীরের অন্যান্য অংশের উদ্দীপনা, যেমন মলদ্বার, স্তনবৃন্ত ইত্যাদি অঙ্গের মাধ্যমে;
নারীদের প্রায়ই প্রচণ্ড উত্তেজনা পাওয়ার জন্য একা যোনিপথে প্রবেশের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। মহিলা বা তার সঙ্গী একই সময়ে ভগাঙ্কুর বা শরীরের অন্যান্য অংশকে উত্তেজিত করতে পারে।
পুরুষ এবং মহিলাদের একসাথে বেশ কয়েকটি প্রচণ্ড উত্তেজনা (Orgasm) হতে পারে, তবে এটি অবশ্যই সর্বদা হয় না:
কিছু মহিলার অল্প সময়ের মধ্যে বেশ কিছু Orgasm (প্রচন্ড উত্তেজনা) হতে পারে।
প্রতিবার সেক্স করার সময় আপনার অর্গ্যাজমের (বীর্যপাত হওয়ার) প্রয়োজন নেই। অনেকের সবসময় অর্গ্যাজম হয় না।
অর্গ্যাজমের মধ্যে পুরুষদের বেশি সময় লাগে। অন্য অর্গ্যাজমে পৌঁছাতে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। যদি একজন পুরুষের অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক প্রচণ্ড উত্তেজনা হয়, তবে তার সবসময় বীর্যপাত হয় না।
স্বামী স্ত্রীর একই সময়ে (একযোগে) একটি প্রচণ্ড উত্তেজনা থাকতে পারে। এটি কঠিন, কারণ আপনার শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সঠিক মুহুর্তের অর্থাৎ দুইজনের একই সাথে অর্গাজম হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা কঠিন। তাই এটা প্রায়ই ঘটবে না। একসাথে প্রচণ্ড উত্তেজনা (Orgasm) পাওয়ার দিকে মনোনিবেশ করবেন না, কারণ এটি যৌনতার মজা নষ্ট করতে পারে।
প্রতিবার সেক্স করার সময় আপনার অর্গ্যাজমের প্রয়োজন নেই। অনেকের সবসময় অর্গ্যাজম হয় না। এই স্বাভাবিক. আপনি এবং আপনার সঙ্গী একটি প্রচণ্ড উত্তেজনা (orgasm) ছাড়া খুব ভাল সেক্স করতে পারেন। যেমন আলিঙ্গন করা, আদর করা, কথা বলা, একে অপরের ঘনিষ্ঠতা উপভোগ করা ...কোমল বা দৃঢ়, ধীর বা দ্রুত, আপনার আঙ্গুল, ঠোঁট বা জিভ দ্বারা... কোন কাজটি কার ভালো লাগে এ বিষয়টি শেয়ার করার মাধ্যমে।
তাই কোনটা ভালো সেক্স আর কোনটা নয় তা সংজ্ঞায়িত করার কোন নিয়ম নেই। এটা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি তারতম্য হতে পারে।
আপনার সঙ্গীর সাথে ঠিক করুন আপনি কত ঘন ঘন, কতক্ষণ, কোথায় এবং কিভাবে সহবাস করবেন। একসাথে আপনি একটি যৌন জীবনে পৌঁছাতে পারেন যা আপনি উভয়ই উপভোগ করেন। প্রয়োজনে আপনি একজন স্বাস্থ্য পেশাদারের সাথেও কথা বলতে পারেন।এছাড়াও আপনার সীমা সম্পর্কে কথা বলুন। আপনাকে সবকিছু করতে হবে বা পছন্দ করতে হবে না।
সম্পর্কের সময় যৌনতার frequency পরিবর্তন হয়। কিছু সময়ে, আপনি অন্যদের তুলনায় প্রায়ই যৌন মিলন করবেন। এই স্বাভাবিক.
প্রত্যেকের আলাদা কামশক্তি আছে। আপনার মেজাজ, বায়ুমণ্ডল এবং আপনার উত্তেজনার উপর নির্ভর করে আপনার Libido (যৌনতার আকাঙ্ক্ষা) একদিন থেকে অন্য দিনে আলাদা হতে পারে।
আপনি যদি (Excitement) খুব উত্তেজিত হন তবে আপনার প্রচণ্ড উত্তেজনা (orgasm) হতে পারে কিন্তু এটাও সম্ভব যে আপনার প্রচণ্ড উত্তেজনা (orgasm) হবে না। আপনি এবং আপনার সঙ্গী যদি এটি (orgasm না হওয়া) সম্পর্কে অসন্তুষ্ট না হন তবে এটি কোনও সমস্যা নয়।
কাম, ক্রোধ, প্রচণ্ড উত্তেজনার চরম অবস্থা বা (orgasm) এবং Ejaculation বা (বীর্যপাত):
পুরুষদের প্রায়ই বীর্যপাত হয় যখন তাদের অর্গ্যাজম হয়। কিছু নারীর অর্গ্যাজমের সময় পাতলা যোনি স্রাব হয়, যেমন বীর্যপাতের মত। পুরুষদের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অর্গাজমের সময় বীর্যপাত হয় কিন্তু মহিলাদের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অর্গাজমের সময় বীর্যপাত নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে একটি যৌনমিলনের সময় অর্গাজম হওয়ার পরে উভয়েরই বীর্যপাত হতে পারে আবার উভয়ের বীর্যপাত নাও হতে পারে আবার কিছু সময় যেকোনো একজনের বীর্যপাত হতে পারে।
এক্ষেত্রে একজন পুরুষ নিজেকে শক্তিশালী এবং কাম পুরুষ হিসেবে প্রমাণ করতে হলে তাকে যে কাজটি করতে হবে তা হল; মিলনকার্য সম্পাদন করার সময় তার নিজের বীর্যপাত হওয়ার আগে তার নিজের অর্গাজম পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে এবং তার সাথে সঙ্গিনীর অর্গাজম পর্যন্ত যাওয়ার জন্য মিলনকার্য চালিয়ে যেতে হবে।
v) শিথিলতা (Relaxation): Resolution- শিথিলতার পর্যায় হল Orgasm বা প্রচণ্ড উত্তেজনার পরে, উত্তেজনা ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এবং শরীরের শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রেসার, হার্টবিট ইত্যাদি আবার শান্ত হয় বা স্বাভাবিক রেটে চলে আসে। অনেক সময় স্বাভাবিক রেটের চেয়েও কমে যায়, যার কারণে অর্গ্যাজমের পর শরীর কিছুটা ক্লান্ত বোধ করে এবং পরবর্তীতে আর সেক্স করার ইচ্ছে হয় না।
vi) Refractory Period: অবাধ্য সময়:
উদ্দীপনার পরপরই একটি সময়কাল যেখানে একটি স্নায়ু বা পেশী আরও উদ্দীপনার প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল নয়।
একবার সেক্সের পর পরবর্তীতে সেক্স করতে যাওয়ার আগ মুহূর্তের যে সময়, এ সময়টাকে Refractory Period বলা হয়। এই দুই সেক্সের মাঝখানে অনেকের ক্ষেত্রে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
***চরম সুখের অবলোকন+অর্গাজমের ধরন, মতন***
Refractory Period এরপরে সেক্সের আর কোন ধাপ অবশিষ্ট নেই কিন্তু সেক্স শেষ করার পরে সবচাইতে যেটি দেখার বিষয় সেটি হল স্বামী বা স্ত্রীর ঠিকমতো অর্গাজম হয়েছে কিনা সেই বিষয়টি ভালোভাবে লক্ষ্য করা। পুরুষের ক্ষেত্রে অর্গাজমটা বীর্যপাতের সাথে আর সেটি বেশ ভালোভাবে বোঝা সম্ভব যেমন বীর্যপাত হয়ে গেলে চরম সুখ লাভের পর পুরুষের শরীর এবং মন নিস্তেজ হয়ে যায়, লিঙ্গ শিথিল হয়ে যায় সেই সাথে পুরুষ ঘর্মাক্ত হতে পারে, বীর্যপাত এবং অর্গাজম এর পরে পুরুষ তার লিঙ্গ আর চালনা করতে পারে না ইত্যাদ।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে স্ত্রীর অর্গাজমের বিষয়টি। যা খুব Complicated ও Sensitive একটি Prosses এবং স্ত্রীর Orgasm Overcome করা রীতিমত একটি ছোটখাটো যুদ্ধও বটে। অর্গাজম এর সময় মহিলাদের যোনিপথের ভিতরের মাসল পরপর কয়েকবার Contractions বা সংকোচন প্রসারণ হতে পারে, ঠিক এই পর্যন্ত পুরুষকে তার সেক্স বা সেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, তাতে মূলত জয় দুইজনেরই। এ সময় কিছু শব্দ হতে পারে, কিছু ঘাম হতে পারে, নারী তার চোখ মুখ ফ্যাকাসে করতে পারে। কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে, যখন তাদের অর্গ্যাজম হয় তখন যোনি থেকে সামান্য পাতলা তরল প্রবাহিত হয়। এটি বীর্যপাতের অনুরূপ।
অর্গাজমের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, প্রত্যেকবার সেক্স করার সময় নারীকে অর্গাজম দিতে না পারলেও খুব বেশি সমস্যা নেই, মাঝে মাঝে অর্গাজম মিস হতেও পারে। তবে অর্গাজম একেবারেই দিতে না পারলে নারীর এনারগাজম রোগ বা Female Orgasmic Disorder হতে পারে।
ইন্টারকোর্সের মাধ্যমে দুইটি দেহের মিলন হয় না কেবল সেই সাথে মিলন ঘটে দুজন মানুষের মানসিকতার। যেহেতু দুই পক্ষের অংশগ্রহণেই কাঙ্ক্ষিত কোন সুখ পরিণত হবে তাহলে কেন সেই সুখের ভাগী দুই পক্ষই হবে না?
অর্গাজমের ক্ষেত্রেও পুরুষতান্ত্রিক এ সমাজ বৈষম্যের শক্ত তার এটে দিয়ে রুদ্ধ করে দেয় একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে। যা স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করতে পুরুষের নারীর সহযোগিতা লাগবেই তা নারীর জন্য নাকি অছ্যুৎ! নারী যদি তার অর্গাজমের কথা ভাবে বা বলে ফেলে তার সঙ্গীকে তাহলে এখনো তাকে চরিত্রহীন, বেহায়া শব্দগুলো শুনতে হয়।
বিভিন্ন সার্ভের মাধ্যমে জানা গিয়েছে অনেক মহিলাই নিজেদের অর্গাজম সম্পর্কেই ঠিকভাবে জানেন না বা বুঝতেই পারেন না! তাঁরা হয়ত শারীরিক মিলনে অংশগ্রহণ করেন ঠিকই, কিন্তু তার সুখানুভূতিটা উপভোগ করতে পারেন না। ফিমেল ইজাকুলেশন (ejaculation) বা অর্গাজম (orgasm) রকেট সায়েন্স না হলেও সায়েন্স বটে!
বিজ্ঞান বলে, ইন্টারকোর্স বা যৌনমিলনের সময় চরম শারীরিক ও মানসিক আনন্দের থেকে সেক্সুয়াল স্টিমুলেশন হয়। এই সময় শরীর থেকে এন্ডোরফিন্স নামের একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। এই সময়কেই অরগ্যাজম বলা হয়। পুরুষের অর্গাজমের সাথে তাদের বীর্যপাত ঘটলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে অর্গাজম ঘটা সম্পূর্ণভাবে মানসিক একটি ব্যাপার। মানসিকভাবে মেয়ে যদি তার সঙ্গীর উপর নির্ভার থাকে, কমিউনিকেটিভ হয় তাহলে উভয়েরই অর্গাজম হয়। পুরুষদের থেকে মহিলাদের অরগ্যাজমে সময় বেশি লাগে। চূড়ান্ত উত্তেজনায় পৌঁছতে নারীর ক্ষেত্রে শারীরিকের পাশাপাশি মানসিক আনন্দও অত্যন্ত জরুরি। তাই দীর্ঘ সময় ধরে অরগ্যাজম না হলে মহিলাদের মধ্যে অ্যানঅরগ্যাজমিয়া নামক মানসিক সমস্যা দেখা যায়। গবেষকদের মতে, বিশ্বে প্রতি ১০০ মহিলার মধ্যে ১৫ জনই এই রোগে ভোগেন।
অর্গাজমে সময়: পুরুষের তুলনায় নারীর অর্গাজমে পৌঁছাতে বেশ অনেকটা সময় বেশি লাগে। আসলে মহিলাদের যৌনাঙ্গ পুরুষদের যৌনাঙ্গের তুলনায় অনেক বেশি জটিল, ফলে অর্গাজমে পৌঁছতে মহিলাদের সময় অনেক বেশি লাগে। এছাড়া আরও অনেকগুলো ব্যাপার এখানে কাজ করে, কিছু মহিলা তাঁদের ‘জি-স্পট’-এ স্পর্শ করলেই উত্তেজিত হয়ে যান। আবার কেউ লজ্জা এত বেশি পান যে, অর্গাজমে পৌঁছতেই পারেন না।
অর্গাজমের ধরন: নারীর নয় রকমের অর্গাজম হতে পারে। এক দিনেই আবার বিভিন্ন দিনেও হতে পারে। তবে সব মহিলার যে এরকম যৌন অভিজ্ঞতা হতেই হবে, তা কিন্তু নয়। আপনি হয়তো ‘জি-স্পট’-এর কথা শুনেছেন, বেশিরভাগ মহিলার ঘাড়ের কাছে অথবা পিঠের দিকে এই স্পট থাকে যেখানে পুরুষের স্পর্শ হলে মহিলারা উত্তেজিত হয়ে পড়েন; কিন্তু ‘জি-স্পট’ ছাড়াও ‘সি-স্পট’, ‘ও-স্পট’, ‘এ-স্পট’-ও থাকে একজন মহিলার। তা ছাড়া একজন মহিলার ক্লিটোরাল অর্গাজম, ভ্যাজাইনাল অর্গাজমও হতে মহিলাদের অর্গাজম পুরুষদের তুলনায় দেরিতে হলেও তার রেশ কিন্তু বেশ অনেকক্ষণ থাকে। সাধারণত অর্গাজমের অনুভূতি পুরুষদের মধ্যে সাত সেকেন্ড পর্যন্ত থাকে, সেখানেই মহিলাদের এই সুখানুভূতি ২৭ সেকেন্ডের বেশি সময় পর্যন্ত বজায় থাকে। আর মহিলাদের তো একবার না, বারবার অর্গাজম হতে পারে!
ইজাকুলেশন ও অর্গাজম: অনেকেই ইজাকুলেশন এবং অর্গাজমের মধ্যে তফাত বুঝতে পারেন না। অর্গাজম হলেই যে ইজাকুলেশন হবে তার কোনও মানে নেই কিন্তু! কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে তাঁরা অর্গাজমে পৌঁছলে তাদের ইজাকুলেশন হবেই!
অর্গাজম কিসের উপর নির্ভর করে? অনেকদিন ধরে অজানা থাকলেও নারীর অর্গাজম না হওয়ার উত্তর উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়। নারীর শারীরিক গঠনের উপরই নারীর অর্গাজম নির্ভর করে বলে জানানো হয়েছে নতুন এ গবেষণায়। সেক্সুয়াল অ্যানাটমির উপর করা একটি গবেষণা ফল পর্যালোচনা করে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মায়ো ক্লিনিকের গবেষকরা একটি তথ্য দেয় অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ এমাহার্ডের নেতৃত্বে। তাদের ওই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ক্লিনিক্যাল অ্যানাটমি নামক জার্নালে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম এবং সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমের উপর নির্ভর করে পুরুষের বীর্যপাত। কিন্তু নারীর অর্গাজম নির্ভর করে তার দৈহিক গঠন এবং পুরুষাঙ্গ কিংবা যৌনাঙ্গে প্রবেশ করানো জিনিসটি কীভাবে সেখানে প্রবেশ করল তার উপর। বিষয়টি নিয়ে এলিজাবেথ বলেন, "যৌন মিলনের উপর মানুষের যতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে পূর্বে ধারণা করা হতো ততটা হয়ত নেই। তিনি বলেন, বীর্যপাত খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া যা মানুষের মানসিক, শরীরিক এবং দৈহিক গঠনের উপর নির্ভর করে।"
অর্গাজমের ফলাফল বা প্রয়োজনীয়তা: প্রকৃতি অন্যান্য প্রাণীদের মতোই প্রজননের বিষয়টি মাথায় রেখেই মানুষকে তৈরি করেছে। তাই যৌনতার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শরীর-স্বাস্থ্যের একাধিক বিষয়।
পুরুষ ও নারী, দু’জনের শরীরেই যৌনাঙ্গ তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক নিয়মেই। যৌনাঙ্গ এবং যৌনতার অবদান রয়েছে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর। যেমন পুরুষদের ক্ষেত্রে নিয়মিত যৌনজীবন প্রস্টেট ক্যানসারের সম্ভাবনাকে কমায় তেমনি নারীর জন্য অর্গাজম...
নিয়মিত যৌনজীবন এবং ঘন ঘন অর্গাজম বা চরম তৃপ্তি মেনোপজ ত্বরান্বিত হতে বাধা দেয়
মেনোপজের পরেও নিয়মিত যৌনজীবনে সাহায্য করে।
মেনোপজের ফলে মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে যৌনাঙ্গে ফ্লুইডের পরিমাণ কমে যেতে থাকে যাকে বলে ভ্যাজাইনাল অ্যাট্রোফি বা ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস। বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে যে সমস্ত মহিলারা মেনোপজের পরেও নিয়মিত সঙ্গম করেন তাঁদের মধ্যে ভ্যাজাইনাল অ্যাট্রফির সম্ভাবনা অনেক কম।
মোটামুটিভাবে ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে মেনোপজ হয় বেশিরভাগ মেয়েদের। ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেসের জন্য অনেকেই এই সময় জীবন থেকে যৌনতাকে বাদ দেন। অধিকাংশ মেয়েই এর ফলে মারাত্মক ডিপ্রেশনে চলে যান।
কোনও মেয়েই যদি নিয়মিত যৌনজীবনে অর্গাজমের তৃপ্তি উপভোগ করেন তবে ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেসের সমস্যা সার্বিকভাবেই কম হবে এবং মেনোপজ ত্বরান্বিত হওয়াকেও আটকানো যাবে।
মেনোপজের পরে জেল বা লুব্রিকেটর ব্যবহার করে যৌনজীবন অক্ষুণ্ন রাখা গেলে ও শারীরিক মিলনে তৃপ্তি বজায় থাকলে ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেসের সমস্যা কমে যায় এবং ডিপ্রেশনও কেটে যায়।
অর্গাজমের সঙ্গে মেয়েদের আয়ুর একটি যোগসূত্র রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ১০০০ জন মহিলার যৌনজীবন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, যাঁরা দীর্ঘদিন তৃপ্ত যৌনজীবন যাপন করেছেন, তাঁরা দীর্ঘায়ু হয়েছেন।
সার্বিক সুস্বাস্থের জন্য অর্গাজম দরকার কারন অর্গাজমের সময়ে মেয়েদের শরীরে ৩ রকম হরমোন নিঃসরণ হয়— অক্সিটোসিন, এনডরফিন এবং ডোপামাইন। এই তিনটি হরমোনই মানুষের জীবনের সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই অর্গাজম বেশি হলে মেয়েদের শরীর-স্বাস্থ্য দু’ই ভাল থাকে।
সঙ্গম হোক শারিরীক ও মানসিক মিলনের মাধ্যমে। বর্তমানে মেয়েরা এবং শিক্ষিত ছেলেরা এব্যাপারে অনেকটাই সহজ, তবে সে সংখ্যা তুলনামূলক এখনো অনেক কম। প্রাকৃতিক এই প্রক্রিয়া গুলো নিয়ে যে ট্যাবু তা সুন্দর সহজ সম্পর্ককে বিষিয়ে তুলে নিঃশেষ করে দিতে পারে। তাই এসম্পর্কে জানতে হবে পরিষ্কার ধারনা রাখতে হবে এবং কমিউনিকেটিভ হতে হবে তাতেই বরং উপকা্র হবে।
উপরের আলোচনা সম্পর্কিত আরো বিস্তারিত বিবরণ ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট ডাক্তার সাথি আহমেদের এই ভিডিওতে পাবেন। যেখানে আলোচনা করা হয়েছে;
Sexual Activity আসলে কি?
কত ধরনের Sexual Activity আছে?
Sexual উত্তেজনা কি?
Sexual Break কি?
স্বতিচ্ছেদ/Hymen আসলে কি এর কোন ভিত্তি আছে?
প্রথম সেক্সের অভিজ্ঞতা- কেন এই ভয়? এই ভীতি কাটানোর জন্য কি কি করা যেতে পারে?
একটি Healthy Sex Life এর ভূমিকা কি?
Female Masterbation কি এবং এটি করা কি ঠিক?
Orgasm কি? কিভাবে কেউ বুঝবে সে অর্গাজম পর্যন্ত পৌছাতে পারলো কিনা? বলা হয়ে থাকে সব নারীদের অর্গাজম হয় না তার সত্যতা কতটুকু? ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র:
- zanzu.de/en এটি একটি জার্মানভিত্তিক পারিবারিক এবং যৌন বিষয়ক সাইট, যেখানে যৌনতার স্বাভাবিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, লাইয়াভাস পার্লেস, ডয়চে ভেলে।
- ডাক্তার মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম পরাগ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, রেজিস্টার (সাইকিয়াট্রি) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, এমডি (সাইকিয়াট্রি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতাল,
- 'Health Care Bangla' TV.
- ডাক্তার, হাকিম ফরিদুজ্জামান।
- অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ এমাহার্ড, ডিবিসি নিউজ।
- Medically Approved by Ayazm M. Khan MD, and Sanne Stravens, Physician. Health Channel TV.
- By Dandelion Team Medical Animation, Medical Anatomy Tv.
- Dr Swati Ahmed, বর্তমানে তিনি অ্যারিজোনাতে সাইকোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন।
- Edited: Natural_Healing.
.jpeg)




.jpg)







কোন মন্তব্য নেই