First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

যৌন জীবনে সমস্যা? Foreplay তে সময় দিন! সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছেনা? সমাধান করতে বেছে নিন এই পদ্ধতিগুলি!

রিলেশনশিপে এই সমস্যাগুলি দেখা দিচ্ছে? তাহলে বুঝবেন আপনাদের সম্পর্কে দীর্ঘ মেয়াদী হবে না:

বিশ্বাস এবং ভরসার মধ্য দিয়েই সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু যখনই সম্পর্কের মধ্যে সম্মান, আশা-ভরসার অভাব দেখা দেয়, ঠিক তখন থেকেই ভাঙতে শুরু করে Relationship. আর সম্পর্কের সেই ফাটল ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করলে, তা আর দীর্ঘ মেয়াদী হয় না।

সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে একে অন্যের প্রতি পজিটিভ ধারণা, সহযোগিতা, এবং সততার প্রয়োজন।
তাহলে দেখে নেওয়া যাক, রিলেশনশিপ দীর্ঘ মেয়াদী না হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলি কী কী -

১) নিজস্ব অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলা: যে সম্পর্কে আপনি আপনার নিজস্ব অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছেন বলে মনে করছেন, সেই সম্পর্ক কখনোই দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে না। সম্পর্কের মধ্যে যদি অভিনয়, ছল-চাতুরি অথবা অত্যাধিক আত্মসচেতনতা চলে আসে, তাহলে সেই সম্পর্ক কখনোই দীর্ঘমেয়াদী হবে না।

২) সম্পর্কে কথোপকথন হ্রাস পাওয়া: রিলেশনশিপে থেকে উভয়ের মধ্যে কথোপকথনের মাত্রা কমে গেলে, তা নেগেটিভ লক্ষণ বোঝায়। যদি মনে হয় যে, আপনার সঙ্গী আপনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না এবং আপনার সঙ্গে কথা বলাও আগের চেয়ে অনেক কমিয়ে দিয়েছে, তাহলে বুঝবেন আপনাদের সম্পর্ক নেগেটিভের দিকে যাচ্ছে।

৩) নিজস্ব মতামতের কোনও মূল্য না থাকা: সম্মান এবং বিশ্বাস হল একটি সুন্দর সম্পর্কের মূল চাবিকাঠি। রিলেশনশিপে উভয় পক্ষের মতামতই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আপনার মনে হয়, আপনার সঙ্গী কেবলমাত্র নিজের মতামতেরই বেশি মূল্য দিচ্ছে এবং তার কাছে আপনার মতামতের কোনও মূল্য নেই, তাহলে আগে থেকেই সাবধান হন। এটি সম্পর্ক ভাঙনের অন্যতম কারণ।

৪) অন্যের সাথে খারাপ ব্যবহার করা: আপনার সঙ্গী কি একটুতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে? অন্যদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে? তাহলে এখনই সাবধান হন। কারণ কোনও না কোনও সময় আপনার সঙ্গেও সে খারাপ ব্যবহার করতে পারে। আমরা সকলের সাথে কেমন ব্যবহার করি এবং কীভাবে কথা বলি, তার মধ্যে দিয়েই আমাদের ব্যক্তিত্বের পরিচয় ফুটে ওঠে।

৫) আপনি তার ভুল ক্ষমা করে দিলেও, সে আপনার ভুল ক্ষমা করে না: সুসম্পর্ক, উভয়ের প্রচেষ্টাতেই গড়ে ওঠে। সম্পর্কে ছোটখাটো ভুল হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু যখন ক্ষমা করার ব্যাপারটা একতরফা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেটিকে কখনোই স্বাভাবিক সম্পর্ক বলা চলে না। এই ধরনের একতরফা সম্পর্ক কখনোই দীর্ঘ হয় না।

৬) আপনার পরিবার এবং বন্ধুরা, আপনার সঙ্গীকে পছন্দ না করলে: পরিবার এবং বন্ধুরা সাধারণত আপনার ভালোর কথাই ভাববে। ভালবাসায় অন্ধ হয়ে আমরা সম্পর্কের যে খারাপ দিকগুলি স্পষ্টভাবে দেখতে পারি না, তা খুব সহজেই আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের নজরে আসে। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং সতর্কতা অনেক ক্ষেত্রেই আপনাকে সচেতন হতে সাহায্য করতে পারে।

সঙ্গীর সাথে বেস্ট ফ্রেন্ড এর আদলে সম্পর্ক রাখুন, আর জীবনটাকে মধুময় করুন;

প্রায় প্রত্যেকের জীবনেই একটা সময় আসে যখন মানুষ বিয়ে করে। কেউ বিয়ে করে তাদের পছন্দের ব্যক্তির সঙ্গে, আবার কেউ কেউ করে তাদের বাবা-মায়ের পছন্দের ব্যক্তিকে। বিয়ে যেভাবেই হোক না কেন, নিঃসন্দেহে বলা যায়, বিবাহ যেকোনও ব্যক্তির জীবনেই একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। আপনি যখন কোনও ব্যক্তির সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, তখন পরিবার, সমাজ আশা করে যে আপনি আপনার গোটা জীবন সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গেই কাটাবেন। কিন্তু, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতিই মানুষকে বাধ্য করে সময়ের সাথে পাল্টে যেতে।

কিন্তু, বিয়ের আগে সঙ্গীর সাথে হালকা পরিচিতি সহকারে বিয়ের পর বেস্ট ফ্রেন্ডের আদলে সম্পর্ক করতে পারলে সংসার সুখী হওয়ার আশা করা যায়-

১) আপনারা একে অপরকে বেশ ভালভাবে জানার চেষ্টা করুন। যেমন - 'কী করলে আপনি রেগে যান', 'আপনি কী খাবার খেতে পছন্দ করেন' ইত্যাদি। এছাড়া, আপনারা একে অপরের পছন্দ, অপছন্দ সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করুন। আপনার যেকোনো কাজে কোনওরকম সন্দেহ, সংকোচ ছাড়াই আপনারা খুব নিকটতম (Best Friend) সঙ্গী হতে পারেন। 

২) একে অপরকে অত্যন্ত বিশ্বাস করুন- বেস্ট ফ্রেন্ড সেই হয়, যাকে আমরা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারি এবং যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন সে সর্বদা আপনার পাশে থাকবে ও প্রতিটি পরিস্থিতিতে সে আপনাকে সাপোর্ট করবে। এছাড়াও, আপনি নিশ্চিত যে, আপনার প্রিয় বন্ধু কখনোই আপনাকে আঘাত করা বা আপনার সুবিধা নেওয়ার কথা ভাববে না। উভয়ই একে অপরের মতামত, পছন্দ ও পরামর্শকে শ্রদ্ধা করে এবং যত্ন নেয়।

৩) একে অপরের দুর্বলতা সম্পর্কে ভালরকম সচেতন- এটা ঠিক যে, আপনারা একে অপরের দুর্বলতা এবং ক্ষমতা সম্পর্কে ভালরকম অবগত। আপনার মন খারাপ, চোখের জল এই সবকিছু আপনার প্রিয় বন্ধু জানে এবং সে এটাও জানে যে, কোন সময় আপনার মুড কেমন থাকে এবং আপনার দুর্বলতা সম্পর্কেও।

৪) কখনোই নিজেকে বদলাতে হবে না প্রিয় বন্ধুর সামনে, আপনি যেমন তেমনই থাকতে পারেন, অদ্ভুত ব্যবহার বা পাগলামিও করতে পারেন কারণ আপনি জানেন যে, সে কখনই আপনার দোষ, গুণ বিচার করবে না। তার জন্য নিজেকে পাল্টাতেও হবে না বা তার পছন্দ অনুযায়ী কোনও কিছু করতে হবে না। আপনি নিজের মতো থাকতে পারবেন। আপনি তার সঙ্গে আপনার ভয়, বাসনা, আশা এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে শেয়ার করতে পারবেন।

৫) আপনারা একে অপরের অত্যন্ত গোপন বিষয়গুলি জানেন- যখন তখন যে কারুর সঙ্গে গভীর অনুভূতি শেয়ার করা অনেকেই পছন্দ করে না। সেরকমই, হয়তো আপনিও আপনার অনুভূতি এবং গোপনীয়তা আপনার শুধুমাত্র প্রিয় বন্ধুর সঙ্গেই ভাগ করতে পছন্দ করেন। সে আপনার অতীত, প্রত্যেকটি ভাল, খারাপ দিক সম্পর্কে জানে। 

৬) একে অপরের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য জানেন- আপনি এবং আপনার প্রিয় বন্ধু, একে অপরের আবেগ এবং লক্ষ্য সম্পর্কে অবগত। তাই, আপনারা একে অপরের স্বপ্ন পূরণ করতেও প্রস্তুত। এছাড়াও, আপনাদের দুজনেরই কিছু একই লক্ষ্য থাকতে পারে, যা আপনাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে।

৭) আলাদা করে একে অপরকে আকর্ষিত করতে হবে না- অনেকেই তাদের ভালবাসার মানুষের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় দেখাতে চায়। কিন্তু, যদি আপনার স্বামী/স্ত্রীকে প্রিয় বন্ধুত্বের স্তরে নিয়ে যেতে পারেন তবে, এসব নিয়ে আপনার চিন্তা করার কোনও দরকার নেই। আপনি নিজের মতো যেমন খুশি থাকতে পারবেন, নিজের মতো যা ইচ্ছা পরতে পারবেন। আপনার সঙ্গীও এ নিয়ে কোনও অভিযোগ করবে না। তবে ভালোবাসা বা কাছে আসার পূর্ব লক্ষণ কিন্তু একে অন্যকে আকর্ষিত করা, এটা আবার কখনোও ভুলা যাবে না।

৮) আপনার অনুভূতিগুলি ভাগ করার জন্য আপনার কাছে সবসময় কেউ আছে- বেশিরভাগ মানুষই নিজের জীবন, লক্ষ্য এবং স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে, অপর ব্যক্তিটির মনে হতেই পারে যে, তার অনুভূতি এবং চিন্তাগুলি শেয়ার করার মতো তার কাছে কেউ নেই। কিন্তু, আপনি যদি আপনার স্ত্রী বা স্বামীকে বেস্ট ফ্রেন্ড বানিয়ে নিতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনাকে আলাদা করে কাউকে হারাতে হবে না কারণ, আপনার প্রিয় বন্ধু সবসময় আপনার জন্য থাকবে। আপনারা একে অপরের উত্থান-পতনে একসঙ্গে থাকবেন। নিজের চিন্তাভাবনা, মতামত এবং অনুভূতিগুলি কোনও প্রকার দ্বিধা ছাড়াই তার সঙ্গে শেয়ার করে নিতে পারবেন।

৯) সর্বদা যেকোনও কিছু নিয়ে কথা বলতে পারবেন- আপনি কখনোই বিরক্ত হতে পারবেন না এবং আপনার কখনোই কোনও কিছু একঘেয়ে লাগবে না। আপনি তার সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয়ে অবিরাম কথা বলে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে, আপনার শখ, আগ্রহ, গসিপ এবং আরও অনেক কিছুই হতে পারে।

এটা অস্বীকার করা যায় না যে, আপনার প্রিয় বন্ধু আপনার জীবনকে আশ্চর্যজনক এবং সুন্দর করে তুলতে পারে। প্রত্যেকে আপনার বিরুদ্ধে গেলেও সে আপনার সঙ্গেই থাকবে। সম্ভবত, সেইজন্যই প্রিয় বন্ধু সবচেয়ে ভাল জীবনসঙ্গী হতে পারে।

১০) সবচেয়ে বেশি ভালো হয়, ন্যায় অন্যায়কে বিবেচনা করে স্বামী-স্ত্রী দুজনের যদি একটা ইসলামিক লাইফ লিড করা যায়, তবে এর চেয়ে বেশি ভালো বোধহয় আর কোথাও নেই।

উপরের সমস্যাগুলি ছিল স্বাভাবিক জীবনের, এখন দেখা যাক যৌন জীবনের সমস্যা গুলি:

প্রত্যেক মানুষের সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝা-পড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন, যা একটি সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে খুবই কার্যকর। অথচ প্রায়ই দেখা যায় যৌন সমস্যার কারণে শুরু হয় সংসারে অশান্তি, পরবর্তীকালে যার পরিণতি গিয়ে দাঁড়ায় বিচ্ছেদে।

অনেক সময় আপনি অনুভব করতে পারেন যে, আপনার যৌন জীবনে কিছু ঘাটতি রয়েছে। কখনও যদি সত্যিই কিছু ঘাটতি অনুভব করেন তবে, তা পূরণ করতে প্রয়োজন কিছু পরিবর্তন ও কিছু প্রচেষ্টার। এই লক্ষণগুলি কী কী তা জানতে, নিবন্ধটি পড়া চালিয়ে যান।

১) যৌনতা সম্পর্কে কথা না বলা: প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে যে, কেউ কারও মনের কথা পড়তে পারে না। যদি কখনও আপনি মনে করেন যে, আপনার সঙ্গী আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাগুলি সম্পর্কে অবগত, তবে আপনি ভুল ভাবছেন।

এক্ষেত্রে, আপনি এবং আপনার সঙ্গী দুজনে মিলে একে অপরের ইচ্ছা এবং কল্পনাগুলি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন। যদি দেখেন যে, আপনার সঙ্গী কোনও একটি ক্ষেত্রে অক্ষম তবে, আলোচনার মাধ্যমে সেই বিষয় সম্পর্কে তাকে স্বচ্ছন্দ করে তুলতে পারেন। এভাবে পারস্পারিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে নিজেদের যৌন জীবনকে স্বচ্ছন্দময় করে তুলুন এবং একটি সুন্দর জীবন অতিবাহিত করুন।

২) সর্বদা এক পক্ষের আগ্রহ: আপনি যদি কখনও অনুভব করেন যে, সর্বদা আপনার পক্ষ থেকেই যৌনতার ইঙ্গিত প্রেরিত হচ্ছে এবং অপর পক্ষের ব্যক্তি যৌনতায় কোনও প্রকার আগ্রহ প্রকাশ করছে না, সেক্ষেত্রে আপনার যৌন জীবনে পরিবর্তন আনার এটিই ভাল সময়।

আপনাদের বুঝতে হবে যে, যদি আপনারা উভয়েই সমানভাবে যৌন সম্পর্কে জড়িত থাকেন, তবেই এটি আপনার সম্পর্কের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একে অপরের প্রয়োজনীয়তা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলি সম্পর্কে অবগত হন এবং তা অনুসরণ করে সুস্থ যৌন জীবন যাপনের উপায় তৈরি করুন।

৩) যৌনতার পরে দূরে থাকা বা শান্ত হয়ে যাওয়া: যদি এই লক্ষণটি আপনার ক্ষেত্রে হয়, তবে সুস্থ যৌন জীবন যাপনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এর পরিবর্তন আনার প্রয়োজন আছে। প্রেম করার পরে, পিছন ফিরে না ঘুমানোর চেষ্টা করুন। কারণ এর ফলে, আপনার সঙ্গীর মনে অবহেলিত এবং বঞ্চিত বোধের জন্ম নেয়।

এক্ষেত্রে, যৌন সম্পর্কের পর আপনার সঙ্গীকে জড়িয়ে ধরে তাকে ভালবাসার অনুভুতি দিন, যা পরবর্তীকালে আপনাদের জীবনে রোম্যান্সকে বাড়িয়ে তুলবে। এছাড়াও, আপনাদের মধ্যে একটি গভীর সংবেদনশীল বন্ধন থাকবে এবং এটি যৌন জীবনকে সুস্থভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

৪) একে অপরকে দোষারোপ করা: অনেক সময় দম্পতিদের মধ্যে যৌন জীবনে কোনও উত্তেজনা না থাকার জন্য সঙ্গীর উপর দোষ চাপাতে দেখা যায়। নিজের অসন্তুষ্টির কারণ হিসেবে সঙ্গীকেই দোষারোপ করে থাকি আমরা। কিন্তু, এটি করা উচিত নয়, দোষারোপ করা থেকে এড়াতে হবে। কারণ, এটি আপনাদের যৌনজীবন এবং সম্পর্কে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনাদের উভয়কেই বুঝতে হবে যে, যৌন সম্পর্কে আপনারা দুজনেই জড়িত। ফলে, পুরো দোষটি একজন ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দেওয়ার কোনও মানে হয় না। সঙ্গীর সাথে যৌনতা সম্পর্কে সৎ কথোপকথনের মাধ্যমে সমস্যাগুলি সমাধান করতে চেষ্টা করুন। হারিয়ে যাওয়া যৌন জীবনের সম্পর্ককে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। খুঁজে বার করুন আরও উৎসাহীপূর্ণ কিছু সঠিক উপায়।

৫) একই পদ্ধতি অনুসরণ করা: আপনি এবং আপনার সঙ্গী যদি বারবার একই আচরণ করে চলেছেন তবে, এটি আপনাদের জীবনের যৌন জীবনে পরিবর্তন আনার একটি লক্ষণ হতে পারে। একই পদ্ধতি অনুসরণ করার পরিবর্তে, আপনারা আরও উত্তেজনাপূর্ণ কিছু উপায় সম্পর্কে ভাবতে পারেন। আপনি আপনার রান্নাঘরে প্রেম করার চেষ্টা করতে পারেন বা চোখে চোখে কথা বলতে পারেন।

এছাড়াও, আকর্ষণীয় পোশাক পরতে পারেন, বিশেষত মহিলারা। এইভাবে আপনি অবশ্যই আপনার যৌন জীবনে পরিবর্তন আনতে পারবেন।

৬) Foreplay-এর অভাব: ফোরপ্লে ব্যতীত যৌনতা মাঝে মধ্যেই বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। যখন উভয়ের মধ্যে সময়ের অভাব থাকে তখন ফোরপ্লে ব্যতীত যৌনতা উত্তেজনাপূর্ণ এবং সন্তোষজনক হতে পারে। কিন্তু দুজনের প্রচুর সময় থাকা সত্ত্বেও যদি একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি ঘটে তখন তা সুস্থ যৌনতার ক্ষেত্রে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আপনি যদি ভাবেন যে, ফোরপ্লে আনন্দ এবং সন্তুষ্টির জন্য সঠিক নয় তবে, আপনি ভুল ভাবতে পারেন। আপনার সঙ্গী কী পছন্দ করে তা জানার একমাত্র উপায় ফোরপ্লে।

এছাড়াও, সরাসরি যৌনতায় লিপ্ত না হয়েও মানসিক দিক থেকে এটি আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারে এবং এটি আপনার সঙ্গীর সাথে আরও গভীর সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারে।

যদি আপনি কাউকে জিজ্ঞাসা করেন যে, কীভাবে যৌন জীবনকে সুখী করবেন? তাহলে আপনি নানান ব্যক্তির কাছ থেকে নানান উত্তর পাবেন। কিন্তু, আপনি কি কখনও যৌন জীবনে উত্তেজনা আনতে, বিকল্প হিসেবে ফোরপ্লে-র কথা ভেবেছেন? মেইন কোর্সের আগে আপনি এটিকে স্টার্টার হিসেবেও মনে করতে পারেন।

একজন পুরুষ হিসেবে আপনি আপনার সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করার উপায়গুলি সম্পর্কে ভাবতে পারেন। কিন্তু, অনেক সময় আপনার সঙ্গীর আরও বেশিক্ষণ ধরে যৌন উত্তেজিত বোধের প্রয়োজন হতে পারে। তাই, এক্ষেত্রে গাঢ় ফোরপ্লে-তে লিপ্ত হওয়া আপনার সঙ্গীকে উত্তেজিত করে তোলার ভাল উপায় হতে পারে।

কিন্তু আপনি যদি ভেবে থাকেন যে, ফোরপ্লে হল শুধুমাত্র নগ্ন হওয়া এবং চুম্বন করা, তাহলে আপনি ভুল হতে পারেন। এর সাথে আরো কিছু টিপস নীচে দেওয়া হল, যা আপনাকে ফোরপ্লে সম্পর্কে জ্ঞাত করবে এবং আপনার সঙ্গীকে যৌন উত্তেজনা বোধ করাতে সাহায্য করবে। দেখে নিন কিছু লাভ-মেকিং ফোরপ্লে আইডিয়া -

১) উভয়ের ইচ্ছা জানুন, যখন আপনি আপনার হাতগুলি তার শরীরে চালনা করছেন, তখন সে কী চায় তা জিজ্ঞাসা করুন। যদি সে তার বাসনা প্রকাশ করে, তবে আপনি কি চান তা প্রকাশ করুন এবং এভাবেই দুজনেই যৌনতা উপভোগ করুন। সঙ্গীর ইচ্ছা অনুযায়ী তা প্রয়োগ করলেই আপনি বুঝতে পারবেন তিনি যৌনতা উপভোগ করছেন। উভয়ের সম্মিলিত ইচ্ছার মিলনে যেকোনও ফোরপ্লে-ই আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে।

২) শরীরে একটি আকর্ষিত ম্যাসাজ দিন যৌনসঙ্গমের আগে শরীরে ম্যাসাজের চেয়ে ভাল আর কী হতে পারে? প্রায় প্রত্যেক নারীই ম্যাসাজ পছন্দ করে। আপনি তার পিছন থেকে শুরু করতে পারেন এবং তারপরে নাভি ও পেটের দিকে দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন। এরপর, আপনি তার উরুর মালিশের মাধ্যমে গোড়ালিতে পৌঁছাতে পারেন। তবে, এই ম্যাসেজটি মৃদু এবং আবেগপূর্ণ হতে হবে।

৩) ধীরে ও নম্রভাবে জিনিসগুলি গ্রহণ করুন ফোরপ্লে-র সেশন চলাকালীন তাড়াহুড়ো করা চলবে না। শুরুতেই এটি ধীর, মৃদু ও আলতোভাবে করতে থাকুন। অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করলে এটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এরপর, সঙ্গীর আবদার এবং ইচ্ছা অনুযায়ী আপনি এটি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। সময় নিন এবং প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ করুন।

৪) ঘাড়ে হাত দিতে পারেন নারী শরীরের একটি সংবেদনশীল জায়গা হল ঘাড়। যেখানে সাধারণত পুরুষেরা খুব কম সময় ব্যয় করেন। কিন্তু, মিলনের আগে ফোরপ্লে-র জন্য ঘাড় সবচেয়ে ভাল জায়গা। ঘাড়ে একটি চুম্বন বা আলতো কামড় সঙ্গীকে যৌন সুখের চরম সীমায় পৌঁছে দিতে পারে। সঙ্গীকে যৌন সুখ দিতে তার ঘাড় থেকে চুল সরিয়ে হাত বুলিয়ে দিন এবং ধীরে ধীরে কিস করুন।

৫) কানে লতি স্পর্শ করুন ফোরপ্লে-র জন্য অবশ্যই সঙ্গীর কানের লতি স্পর্শ করতে পারেন। হালকা স্পর্শ করুন, কামড় ও নিঃশ্বাস ফেলে দেখুন, আপনার সঙ্গীও এটি উপভোগ করতে পারে।

৬) পিঠে স্পর্শ করুন ফোরপ্লে-র সময় অনেক মহিলাই পিঠে স্পর্শ করা পছন্দ করেন। পিঠে, বিশেষ করে মেরুদন্ড বরাবর কোমরের দিকের অংশটাতে স্পর্শ করতে পারেন। এই সকল জায়গায় আলতো করে কিস করুন, দেখবেন সঙ্গীর যৌন ইচ্ছা আরও বেড়ে যাবে।

৭) পায়ের আঙুল ও উরু পায়ের আঙুলগুলিতে স্পর্শ করতে পারেন, পাশাপাশি উরুতেও আলতো চুম্বন করতে পারেন। এগুলি করলে আপনার সঙ্গীর মনে যৌন ইচ্ছা জাগতে পারে।

৮) বুক যৌনসঙ্গমের আগে ফোরপ্লের সময়ে বুকে স্পর্শ অনেকেই উপভোগ করেন। তবে শুধু নারী নয়, পুরুষের ক্ষেত্রেও এটি কাজ করে।

তথ্যসূত্র:

  • বোর্ড স্কাই।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.