First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

Erectile Dysfunction (লিঙ্গ উত্থান ত্রুটি বা পুরুষত্বহীনতা বা লিঙ্গ শৈথিল্য বা ধ্বজভঙ্গ) কি? এ অবস্থা থেকে বাঁচার উপায় কি?

সন্তোষ-জনকভাবে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য পুরুষাঙ্গ বা লিঙ্গ উত্থান একটি স্বাভাবিক আচরণ, একজন পুরুষ যখন যৌন সম্পর্কের জন্য মনোশারীরিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে তখন যদি পুরুষাঙ্গ বা লিঙ্গ সঙ্গমের জন্য উপযুক্তভাবে উত্থান না হয় তাকে Erectile Dysfunction (ED) বা লিঙ্গ উত্থান সমস্যা বা যৌন অক্ষমতা বলে। যদি আরও সহজভাবে বলি, আপনি ইন্টারকোর্স বা যৌন সম্পর্ক করার সময় যদি;

(i) পুরুষাঙ্গ যথেষ্ট পরিমাণ শক্ত না হয় বা 

(ii) যদি একেবারেই শক্ত না হয় কিংবা 

(iii) শক্ত হলেও কিছুক্ষণের মধ্যই আবার নরম হয়ে যায়। 

এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে যেকোন একটি যদি কমপক্ষে তিন মাস থেকে ছয় মাস ধরে প্রায় প্রতিবার সহবাসের ক্ষেত্রেই হয়, তখন সেটাকে আমরা ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গ উত্থান সমস্যা বলি। পুরুষের যৌন উত্তেজনা একটি জটিল পক্রিয়া যার সঙ্গে মস্তিস্ক, হরমোন, আবেগ, সড়বায়ু বা নার্ভ, মাংসপেশী এবং রক্তনালী জড়িত। অথাৎ আপনি যখন যৌন উদ্দীপক কিছু চিন্তা করেন, কিছু দেখেন, মনে মনে কল্পনা করেন, কিছু শুনেন বা আপনার যৌন সঙ্গীকে স্পর্শ করেন তখন আপনার ব্রেইন Stimulate (উদ্দীপিত করা, কর্মপ্রেরণা যোগানো, চাঙ্গা করা, উত্তেজিত) হয়। এরপর কিছু হরমোন এবং নার্ভের সম্মিলিত ক্রিয়ার মাধ্যমে পুরুষাঙ্গের ভেতরে রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয়। তখন পুরুষাঙ্গের ভেতর রক্তপ্রবাহ অনেক বেড়ে যায়। যারফলে পুরুষাঙ্গ বেলুনের মতো ফুলে গিয়ে ইরেক্ট বা উত্থান হয়। এর যেকোনো একটিতে সমস্যা হলেই ইরেকটাইল ডিসফাংশন দেখা দিতে পারে। শারীরিক আথবা মানসিক যেকোনো কারণেই ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে।

পুরুষ জনন (লিঙ্গ) অঙ্গের রয়েছে নানা ধরনের সমস্যা। এর অন্যতম হলো, উত্থিত না হওয়া বা খাড়া না হওয়া বা দাঁড়িয়ে থাকাতে অপারগতা। কোনো ব্যক্তির নিজের বা তার স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণের উপযোগী পুরুষ জনন অঙ্গের উত্থানের ও তা বজায় রাখার অক্ষমতাই হলো পুরুষের জনন অঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা। বেশির ভাগ পুরুষেরই জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে এই অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত এটা মানসিক পীড়নের কারণ হয়ে দেখা দেয়। কোনো কোনো পুরুষ দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণাঙ্গ সমস্যায় আক্রান্ত হন আবার কেউ কেউ আংশিক বা ক্ষণস্থায়ী সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। ঘনঘন এ রকম আক্রান্ত হলে মানসিক পীড়া, সম্পর্ক নষ্ট হওয়া এবং আত্মযর্মাদাহীনতার মতো সমস্যা হয়। নানা কারণে এ সমস্যা হতে পারে। এর বেশিরভাগই চিকিৎসাযোগ্য।

রোগটির ব্যাপকতা :

এ রোগের ব্যাপকতা নিয়ে বাংলাদেশের কোনো সমীক্ষা না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সমীক্ষায় অবস্থা তা জেনে নিতে পারি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনসিটিটিউটের সূত্র অনুসারে ২০০২ সালে ১৫ লাখ থেকে ৩০ লাখ আমেরিকান পুরুষ জনন অঙ্গের সমস্যায় আক্রান্ত হন। প্রায় ৪২ শতাংশ এশিয়ান পুরুষ এ রোগে আক্রান্ত। এদের অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বিব্রত বোধ করেন। ১৯৯৯ সালে প্রতি হাজারে ২২ জন আমেরিকান পুরুষ এ রোগ সংক্রান্ত পরামর্শের জন্য আসেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত ৫০ শতাংশ জন পুরুষ ক্ষণস্থায়ী এবং আংশিক উত্থান জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়। ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা , মাদকাসক্তি, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তনালীর সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ৭০ শতাংশ এ রোগ ভুগে থাকেন। মানসিক অসুখের কারণে প্রায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ এ অসুখে ভোগেন। সকল ডায়াবেটিক রোগীই এ সমস্যায় ভুগে থাকেন। আবার হার্টের রোগীরাও কমবেশি আক্রান্ত।

Erectile Dysfunction (ED) - Causes, symptoms and treatment modalities.

কখন বুঝবেন সমস্যা দেখা দিয়েছে বা ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর লক্ষণ গুলি কি কি?

যদি আপনি নিয়মিত নিম্নোক্ত সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে থাকেন—

  • লিঙ্গের যথাযথ উত্থান ঘটাতে না পারা।
  • লিঙ্গের উত্থান যথেষ্ট সময় ধরে রাখতে না পারা।
  • যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস পাওয়া কিংবা কখনোই আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত না হওয়া।
  • দ্রুত বীর্যপাত হওয়া।
  • বিলম্বে বীর্যপাত হওয়া।
  • অ্যানোরগাজমিয়া দেখা দেওয়া অর্থাৎ পর্যাপ্ত উত্তেজনা সত্ত্বেও অর্গাজম লাভে ব্যর্থ হওয়া।
  • এ ছাড়া মনস্তাত্ত্বিক চাপ-অবসাদ, দুশ্চিন্তা ও অন্যান্য মানসিক সমস্যা, মানসিক চাপ, অন্যমনস্কতা, সম্পর্কের অবনতি বা অধারাবাহিকতার কারণে উদ্ভূত চাপ, আত্মবিশ্বাসহীনতা ও ভীতি।

লিঙ্গের উত্থানের পেছনে মস্তিষ্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মস্তিষ্ক থেকে পাওয়া সংকেতের মাধ্যমেই একজন পুরুষ তার দেহে যৌন উদ্দীপনা অনুভব করতে থাকেন, তার মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন আসতে থাকে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে তার লিঙ্গের উত্থান ঘটে। কিন্তু মস্তিষ্ক যদি স্বাভাবিক না থাকে, এই প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব পড়ে। এ কারণে সৃষ্টি হয় ইরেকটাইল ডিজফাংশন। এ ছাড়া পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পুরুষাঙ্গে রক্ত চলাচল ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। একটি সফল যৌনমিলনের জন্য এই সব কটি সুস্থ আর স্বাভাবিকভাবে হতে হবে।

পুরুষ অঙ্গের গঠন ও কর্ম পদ্ধতি (স্ট্রাকচার ও ফিজিওলজি):

পুরুষ জনন অঙ্গের অভ্যন্তরীণ গঠন বেশ জটিল । এতে দুটি নলাকার রক্ত ধারক কলা থাকে এবং এই নলাকার ধারকের মধ্যেই উত্তেজনার সময় রক্ত জমা হয়ে পুরুষাঙ্গ স্ফীত ও লম্বা হয়। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার কলাগুলো সংকুচিত হয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। উত্তেজনা কমে গেলে রক্তাধারে জমাকৃত রক্ত আবার শরীরে ফিরে আসে। মূত্রনালী বেষ্টনাকারী রক্ত, দুটি প্রধান ধমনী, কয়েকটি শিরা যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে ও স্নায়ুকলা যৌন উত্তেজনার সময় সংবেদনশীল হয়ে উঠে। এ রকম কয়েকটি অঙ্গের সমম্বয়েই পুরুষ জনন অঙ্গ তৈরি হয়।

উত্তেজনার উপযুক্ত কারণ ঘটলে মস্তিকে ও স্নায়ুতন্ত্রে উত্থানের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রক্ত সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে তা জননতন্ত্রে নির্দেশনা পৌঁছায়। শারীরিক ও মানসিক উত্তেজনা স্নায়ুর মাধ্যমে রক্ত সংবহনতন্ত্রে বার্তা পাঠায় এবং জনন অঙ্গে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। ফলে এ অঙ্গটা স্ফীত ও শক্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে বীর্যপাত হয়ে গেলে পুরুষাঙ্গে রক্তের চাপ কমে যায়, এটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

রোগ নির্ণয় বা ইলেক্ট্রাইল ডিসফাংশন কেন হয়? 

প্রথমেই জানা যাক, কেন হয় ইরেকটাইল ডিজফাংশন। পুরুষের লিঙ্গের উত্থান মূলত যৌন উদ্দীপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। আর পুরুষের যৌন উদ্দীপনা খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া, যেটির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে তাদের মস্তিষ্ক, হরমোন, আবেগ, স্নায়ু, পেশি ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের। এগুলোর যেকোনো একটির সমস্যা বা অস্বাভাবিকতার কারণে ইরেকটাইল ডিজফাংশন হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপ, বিষণ্নতা বা অন্যান্য মানসিক সমস্যার ফলেও ইরেকটাইল ডিজফাংশন হতে পারে। ইরেকটাইল ডিজফাংশনের পেছনে শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের কারণই প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন কোনো একটি অসুস্থার কারণে সাময়িকভাবে যৌন উদ্দীপনার মাত্রা কমে যেতেই পারে। কিন্তু এ নিয়ে আপনি এত বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন বা মানসিক চাপে ভুগতে শুরু করলেন যে পরবর্তী সময়ে সমস্যা আরও বাড়তে শুরু করল। এভাবেই শারীরিক সমস্যার সঙ্গে মানসিক সমস্যা যোগ হয়ে ইরেকটাইল ডিজফাংশনের মাত্রা বাড়তে থাকে। 

ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ , যকৃতের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, মাদকাসক্তি, স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সম্পর্কের অভাবেও এ সমস্যাটা হতে পারে। আগেই বলা হয়েছে, প্রায় সব ডায়াবেটিক রোগী, হার্টের রোগী, কিডনি রোগী পুরুষাঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য যারা বিভিন্ন ওষুধ খান তাদেরও এই সমস্যা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন মানসিক চাপ কমানোর ওষুধ, এলার্জির ওষুধ ও এসিড কমানোর ওষুধও এই সমস্যার সৃষ্টি করে। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা যৌন কর্মে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। বয়সের কারনে যারা ষাটোর্ধ তাদের এটি চল্লিশোর্ধের তুলনায় প্রায় চারগুন বেশি সম্ভাবনা। জীবনযাত্রার অভ্যাস বিশেষত ধুম্রপান যার কারনে রক্তশিরা সংকুচিত হয়ে যায়।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের এ সমস্যা বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে করা এক জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ডায়াবেটিস রোগীদের ৩২ শতাংশ ইরেকটাইল ডিসফাংশনের শিকার। ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগ আছে, এমন ৪০ শতাংশ মানুষ এতে ভুগছে। ডায়াবেটিসের সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ শতাংশে।

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের মনস্তাত্ত্বিক কারণ হলো লিঙ্গের উত্থানের পেছনে মস্তিষ্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মস্তিষ্কের থেকে পাওয়া সঙ্কেতের মাধ্যমেই একজন পুরুষ তার দেহে যৌন উদ্দীপনা অনুভব করতে থাকেন, তার মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন আসতে থাকে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে তার লিঙ্গের উত্থান ঘটে। কিন্তু মস্তিষ্ক যদি স্বাভাবিক না থাকে, তার প্রভাব পড়ে লিঙ্গের উত্থানে। ফলে, সৃষ্টি হয় ইরেকটাইল ডিসফাংশন। মানসিক সমস্যার ফলে রোগী এবং তার সঙ্গীর আবেগিক সুস্থতার ক্ষতি হয়। অনেক পুরুষই লজ্জাজনক অনুভূতি লুকাতে গিয়ে কোন চিকিৎসাই করান না। এ (ইরেকটাইল ডিসফাংকশান) রোগে আক্রান্ত রোগী প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত হলেও প্রায় ৭৫% ভাগই মানসিক সমস্যার কারণে চিকিৎসা করান না।

বাইসাইকেল চালানোর সাথে উত্থানের সম্পর্ক রয়েছে কারণ সাইকেল চালনার সময় স্নায়ুবিক এবং শিরা উপশিরা ব্যবস্থায় রক্তপরিবহন ব্যবস্থার সমস্যা হয়। এর ফলে ঝুঁকি বেড়ে যায় যাকে ১.৭-ফোল্ডে মাপা হয়।

পর্নোগ্রাফির ফলে উত্থানজনিত সমস্যা হতে পারে বলে মত রয়েছে। যদিও ২০১৫ সালে হওয়া একটি পর্যবেক্ষনে এটি বিশদ আকারে হয় কিনা তার ব্যপারে খুব কম প্রমাণ আছে বলে মত দেওয়া হয়।

সার্জিক্যাল কারনে উত্থানের বেশ সমস্যা তৈরী করতে পারে যেমন নার্ভ নষ্ট করে ফেলা বা রক্ত সংবহন ব্যবস্থার বাধা সৃষ্টি করা। প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার সাধারণ প্বার্শপ্রতিক্রিয়া হল উত্থানজনিত সমস্যা হওয়া। প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসার সময় প্রস্টেটেকটমি কিংবা বর্হি রেডিয়েশন রশ্মির দ্বারা প্রোস্টেটকে পুরোপুরি ধ্বংস করার যে সার্জারি করা হয় (যদিও এক্ষেত্রে উত্থানের জন্য যদিও প্রস্টেটের কোন প্রয়োজন নেই) তা পরবর্তীতে উত্থানের সমস্যা করতে পারে। হার্নিয়া সার্জারির ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়ই এবং যে ক্ষেত্রে অপারেশনের পরবর্তীতে যাদের কোন সমস্যা হয় নি সেই ক্ষেত্রে, যাদের আগে যৌন অক্ষমতা ছিল তারা সেটি পুনরায় উদ্ধার করতে সক্ষম হতে পারেন। অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যাদের আগেও কোন সমস্যা ছিল না তাদের পরেও যৌন জীবনে কোন সমস্যা দেখা দেয়না।

৮০ ভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে শারীরিক সমস্যা খুঁজে পাওয়া যায়। যার মধ্যে রয়েছে হৃদযন্ত্রের রোগ; ডায়াবেটিস; স্নায়ুতাত্ত্বিক সমস্যা যেমন মাদকের প্বার্শপ্রতিক্রিয়া, প্রোস্টেটেকটমি এবং হাইপোগোনাডিসম, ইত্যাদি। আর ১০-২০ ভাগ সমস্যা তৈরী হয় মানসিক সমস্যা থেকে যেমন ঘৃনার অনুভূতি, রক্ষণশীল চিন্তা।

তবে ইদানিং অনেক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, শতকরা ৪৮% শতাংশ ইরেকটাইল ডিসফাংশন সমস্যার মূল কারণ ভাসকুলার বা রক্তনালীতে পর্যাপ্ত রক্তবপ্রাহ ও নার্ভ সাপ্লাই কম হওয়া। শারীরিক অনান্য কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম পুরুষ হরমোন কমে যাওয়া। মানসিক কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম পারফরমেন্স এনজাইটি। যে কারণেই হোক না কেন ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় করতে হবে সবার আগে। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পুরুষাঙ্গের আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, কালার ডপলার স্ক্যানিং বা ডুপ্লেক্স স্টাডি পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ ঠিক আছে কিনা তা দেখে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেন। সঠিক সময়ে যদি ইরেকটাইল ডিসফাংশনজনিত সমস্যার সঠিক চিকিৎসা না করেন তাহলে দীর্ঘস্থায়ী পুরুষত্বহীনতা বা পারমানেন্ট ইমপোটেন্সি হতে পারে। এছাড়াও দাম্পত্য কলহসহ বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত হতে পারে।

কী করবেন?

কোনো ব্যক্তি যদি ইরেকটাইল ডিজফাংশনের শিকার হন, তবে হতাশা বা সংকোচে না ভুগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক সঠিক কারণটি খুঁজে বের করে সঠিক সমাধান বাতলে দিতে পারবেন। অনেক সময় স্রেফ মানসিক চাপমুক্ত হলে বা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করলেই উন্নতি সম্ভব। ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ বা অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এসব রোগে স্নায়ু ও রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মিলনে সমস্যা হয়। ধূমপান পুরোপুরি বর্জন করুন, অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রা সীমিত করুন এবং অবৈধ নেশা দ্রব্য ব্যবহার করবেন না। ওজন ঠিক রাখুন ও নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। সুষম ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণ করুন। রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো ও বিশ্রাম নেওয়া, মানসিক চাপ, অবসাদ, দুশ্চিন্তা বা অন্যান্য সমস্যাকে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই ইরেকটাইল ডিজফাংশন কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা নয়, বরং সাময়িক একটি জটিলতামাত্র। এই সমস্যার চিকিৎসায় অনুমোদিত ওষুধ বা ইনজেকশন ও সার্জারি রয়েছে, তবে তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে। টোটকা বা অপচিকিৎসা নেবেন না।

আমার লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না।

শারীরিক পরীক্ষা :

সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা ও জননতন্ত্রের বিস্তারিত পরীক্ষা , স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, রক্ত সংবহনতন্ত্রের রোগ জন্মগত কোনো ত্রুটি যেমন হাইপোস্পেডিয়াস, পেইরোনিকস ডিজিজ ইত্যাদি বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করতে হবে। পুরুষের স্তন এবং চুলের অবস্থা পযর্বেক্ষণ করা প্রয়োজন। পুরুষের স্তন যদি বৃদ্ধি পায় এবং ঘন চুলের অধিকারী হন তবে তার ক্রোমোজম ও বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করাও জরুরি।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষা :

হিমোগ্লোবিন, রক্ত শূন্যতা, হরমোন টেস্টোস্টেরন প্রল্যাকটিন, রক্তে চর্বির মাত্রা, আর্টেরিসসক্লেরোসিস, কম রক্ত সরবরাহ, সুগার, যকৃতের কার্যকারিতা, কিডনির কার্যকারিতা, থাইরয়েড কার্যকারিতা দেখা প্রয়োজন। কোনো কোনো সময় ক্রোমোজম পরীক্ষা এবং বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা নিরুপণ করা প্রয়োজন হয়। প্রস্রাবে অতিমাত্রায় প্রোটিন ও সুগার আছে কিনা জানা প্রয়োজন ।

কার্যকর উত্থান পরীক্ষা (ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড):

ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের সাহায্যে রক্ত সরবরাহ ও শিরার ছিদ্র নির্ণয় করা সম্ভব। আর্থেরোস্কে¬রোসিস, স্কারিং, ক্যালসিফেকেশনও আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব। পুরুষাঙ্গে বিশেষ ইনজেকশানের মাধ্যমে অথবা সিলডেনাফিল জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়ানোর পর কালার ডপলার এবং ড্রপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড করলে পুরুষ জনন অঙ্গের ভেতরের অস্বাভাবিকতাগুলো বিশদভাবে ধরে পড়ে। এটা মনে রাখা দরকার যে এই ইনজেকশনের প্রভাবে পুরুষ জনন অঙ্গ চার ঘন্টার বেশি উত্থিত থাকলে এবং যদি ব্যথা হয় (প্রিয়াপজম) তবে দ্রুত তাকে কোনো ইউরোলজি সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন। চিকিৎসায় দেরি বা অবহেলা হলে পুরুষ জনন অঙ্গ পরে অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।

নিদ্রাকালীন পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থান :

একজন স্বাভাবিক পুরুষের ঘুমের মধ্যে তার পুরুষ জনন অঙ্গটি ৫ থেকে ৬ বার পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থিত হয়ে থাকে। এটা প্রতি ৯০ মিনিট পর পর কয়েক মিনিটের জন্য ঘটে থাকে। এর অনুপস্থিতি পুরুষ জনন অঙ্গের স্নায়ুর অসামঞ্জস্যতা বা রক্ত সরবরাহের অসুবিধা নির্দেশ করে। বিশেষ পরীক্ষা যেমন কাভারসনোগ্রাম বা কাভারসনোমেট্রি করে পরুষ অঙ্গের রক্তনালীর অবস্থা দেখা যেতে পারে। কৃত্রিমভাবে পুরুষা জনন অঙ্গের উত্থান ঘটিয়ে তার চাপের পরিমাপ নির্ণয় করা হয়। বিশেষ ওষুধ কনট্রাস্ট ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে এক্সরে করা হয় । এ পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক পুরুষ জনন অঙ্গের গঠন ও কর্ম পদ্ধতিতে কোনো ক্রটি আছে কিনা তা বুঝতে পারেন। তবে এ পরীক্ষাটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ বিধায় কদাচিৎ এটি করা হয়। কালার ডপলার এবং ড্রপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের কারণে এই পরীক্ষাটি এখন আর জনপ্রিয় নয়।

ঘুমের মাঝে লিঙ্গ শক্ত হয় না কেন?

চিকিৎসা :

ইরেকটাইল ডিজফাংশন বা পুরুষের উত্থান ত্রুটিকে সহজ ভাষায় বলা হয় যৌন অক্ষমতা বা দুর্বলতা। পুরুষদের জন্য খুবই স্পর্শকাতর একটি বিষয় এটি। যৌনমিলনের পূর্বশর্ত পুরুষাঙ্গের যথাযথ উত্থান। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, মিলনের পূর্বে পুরুষের লিঙ্গের পর্যাপ্ত উত্থান ঘটছে না কিংবা ঘটলেও বেশিক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। ফলে পরিপূর্ণ ও সফল যৌনমিলনও সম্ভব হচ্ছে না।

এ ধরনের সমস্যায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন দম্পতি। আবার সংকোচ ও দ্বিধার কারণে চিকিৎসকের কাছে যান না, বাজারচলতি চটকদার বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে কবিরাজি হারবাল বা টোটকা চিকিৎসা নিয়ে আরও জটিলতায় পড়েন। তাই সংকোচ ভেঙে এ সমস্যা নিয়ে সঠিক পরামর্শ নিতে হবে।

যৌনশিক্ষা : এ পদ্ধতিতে মানসিক রোগজনিত উত্থান সমস্যার চিকিৎসা করা হয়। আমাদের দেশে যৌন শিক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় নবীন বয়সে রোগীর সামান্য যৌন সমস্যাকেই বিশাল সমস্যা বলে মনে করে প্রায়ই অপচিকিৎসার শিকার হয়ে মানসিক, শারীরিক এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সাধারণ যৌনশিক্ষা যুব সম্প্রদায়কে এই বিপদ হতে রক্ষা করতে পারে। মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যক্রমে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় যোগ করা যেতে পারে।

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের জন্য যেসব চিকিৎসা রয়েছে এর মধ্যে শকওয়েভ থেরাপি, পেলভিকমাসেলসরিহ্যাব, আকুপাংচারফরইডি ও সেক্সকাউন্সেলিং বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

পিডিই৫ এনজাইম ইনহিবিটার:

উত্থানের ক্ষেত্রে কার্যকর পিডিই৫ ইনহিবিটার (নিলডেনিফিল সাইট্রেট, টাডানাফিল এবং ভারডেনাফিল) ওষুধগুলোর ব্যবহার এ সমস্যার প্রাথমিক ওষুধ হিসেবে আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত ফলপ্রসূ। সিলডানাফিল মিলনের ঘন্টা খানেক আগে খাবার পরামর্শ দেয়া যেতে পারে। এর কার্যকারিতা প্রায় ২/৩ ঘন্টা স্থায়ী হয় খালি পেটে ওষুধটি সেবন করলে তার কার্যকারিতা বেশি হয়। টাডানাফিল ২০ এমজি প্রায় ৩৬ ঘন্টা কার্যক্ষম। এ কারণে ওষুধটি যে কোনো সময় খাওয়া যেতে পারে। এ দুটি ওষুধের কার্যকারিতা চমৎকার। বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে এটা সবচেয়ে জনপ্রিয়। যাদের যকৃত ও কিডনি সংক্রান্ত অসুখ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা কম রাখতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

মাথা ব্যথা, মুখমন্ডল ভার হয়ে আসা নাক বন্ধ হওয়া ইত্যাদি কোনো কোনো সময় অনুভূত হয়। তবে এর সমস্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাময়িক সময়ের জন্য। ওষুধের কার্যকারিতা শেষ হলেই এর সমস্যাগুলো এমনিতেই চলে যায়।

পেনাইল ইমপ্লান্টস :

সর্বক্ষেত্রে পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা পূর্ব উল্লেখিত চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। যখন কোনো চিকিৎসাই ফলপ্রসূ হয় না তখন পেনাইল প্রস্থেসিসের প্রয়োজন হয়। সাধারণত দুই ধরণের পেনাইল প্রস্থেসিস চিকিৎসার জন্য পাওয়া যায়।

(১) সেমি রিজিড পেনাইল প্রস্থেসিস যা অত্যন্ত উন্নতমানের মেডিক্যাল গ্রেডের সিলিকন দ্বারা প্রস্তুতি। এটি দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা এবং দামও তুলনামুলকভাবে কম। সেমি রিজিড পেনাইল প্রস্থেসিস স্থাপন করাও তুলনামুলকভাবে সহজ। বাংলাদেশেও পদ্ধতিটি সহজলভ্য এবং মাত্র ৪০-পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে এই প্রস্থেসিস প্রতিস্থাপন সম্ভব।

(২) ইনফ্লেটেবল পেনাইল প্রস্থেসিস অপেক্ষাকৃত বেশি জটিল এবং হাইড্রোলিক পাম্প-সংবলিত একটি অত্যন্ত আধুনিক প্রতিস্থাপনীয় প্রস্থেসিস। এতে দুটি সিলিকন নল একটি ছোট ভাল্ব ও হাইড্রোলিক পাম্প থাকে। এ প্রযুক্তির সুবিধা হলো যখন এবং যতক্ষণ পুরুষ অঙ্গটি উত্থিত অবস্থায় রোগী বা তার সঙ্গীনি রাখতে চান ততক্ষণই সর্ম্পূণ কার্যক্ষম অবস্থায় রাখতে পারবেন। ইনফ্লেটেবল পেনাইল প্রস্থেসিসের অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর প্রতিস্থাপন পদ্ধতি একটু জটিল ও কোনো কোনো সময় এতে যান্ত্রিক ত্রুটিও পরিলক্ষিত হয়। তবে দীর্ঘ স্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে এ পদ্ধতিটি অনন্য। বাংলাদেশী মুদ্রায় আনুমানিক চার লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে।

স্টেম সেল ইনজেকশন:

‘ইরেকটাইল ডিসফাংকশান' বা লিঙ্গ উত্থান সমস্যা সমাধানে একটি প্রাকৃতিক উপায় বের করেছেন ডেনমার্কের গবেষকরা৷ পুরুষের লিঙ্গে একটি মাত্র ইনজেকশন এই সমস্যার সমাধান করতে পারে৷ ইনজেকশনটি স্টেম সেল থেকে তৈরি৷ ডেনমার্কের ঐ গবেষকদের ধারণা, এই পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময়ের জন্য মানুষ তাঁর যৌন সক্ষমতা ফিরে পাবেন এবং উপকৃত হবেন৷ যেসব পুরুষের লিঙ্গ উত্থান সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করেছেন ড্যানিশ গবেষকরা৷ গবেষণায় দেখা গেছে, ''স্টেম সেল থেরাপি'' এ ধরনের সমস্যায় দারুণ সমাধান দেয়৷ ৪০ থেকে ৭০ বছরের পুরুষদের মধ্যে ইরেকটাইল ডিসফাংকশান বেশি দেখা যায়৷ যাঁরা এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা সাধারণত ভায়াগ্রা বা ঐ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন, যার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷ অথচ এই গবেষণা চলাকালীন যেসব পুরুষদের লিঙ্গে ইনজেকশন দেয়া হয়, তাঁদের কারুর থেকেই কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি৷

পি-শট বা পিআরপি চিকিৎসা:

সম্পূর্ণ কাটাছেড়া ছাড়া ব্যথামুক্ত শকওয়েভ ও মিনিমাল ইনভেসিভ পি-শট বা পিআরপি চিকিৎসার মাধ্যমে Erectile Dysfunction এর দীর্ঘস্থায়ী সমাধান সম্ভব। শকওয়েভ চিকিৎসা যা একটি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে পুরুষাঙ্গের বাহির হতে অভিঘাত তরঙ্গ বা জলতরঙ্গ দেয়া হয়। যা যান্ত্রিক কিন্তু বৈদ্যুতিক নয়। চিকিৎসার এই পদ্বতিতে, রক্তপ্রবাহ বৃদ্বির ফলে শরীরের নিজস্ব পুনর্গঠন পদ্ধতিকে (ন্যাচারাল গ্রোথ ফ্যাক্টর) কাজে লাগিয়ে নতুন টিস্যু তৈরি করতে সাহায্য করে, যার ফলে পুনরায় লিঙ্গ উত্থান হয়। এই পদ্বতিতে আমরা যেকোনো একজন রোগীকে তার পেনিসের বেইজ, সেফট এবং পেরোনিয়াল এরিয়াতে শকওয়েভ বা জলতরজ্ঞ দেয়া হয়। 

পুরুষের যৌন সমস্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। আমাদের দেশে এসব বিষয়ের অপচিকিৎসার এমনই বিস্তৃতি লাভ করেছে যে তা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক চিকিৎসায় পুরুষদের সকল যৌন সমস্যার সমাধান করা যায়। মেডিকেল চিকিৎসার সাথে সাথে সার্জিক্যাল চিকিৎসাও অত্যান্ত ফলপ্রসূভাবে সর্ম্পণ করা হচ্ছে। মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের, এন্ড্রোলজি এন্ড ফিমেল ইউরোলজি ইফনিট প্রতি রবি ও মঙ্গলবার বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবাসহ আন্তবিভাগে সর্বপ্রকার যৌন সমস্যার রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে যৌন রোগ বা সমস্যার বিষয়ে ইউরোলজি ও এন্ড্রোলজি চিকিৎসকরাই যে সঠিক সেবা দিতে পারে। সে ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। আশার কথা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পযর্ন্ত ইউরোলজি সার্ভিস চালু হয়েছে। সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা পাবেন এখান থেকে।


পরিপূর্ণ আর্টিকেল আশা পর্যন্ত দয়া করে অপেক্ষা করুন!

তথ্যসূত্র:

  • Dr. Zahed Parvez, সহকারী অধ্যাপক (ত্বক, চর্ম, যৌন ও ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগ), শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল। চেম্বার: ডাঃ জাহেদ’স এ্যান্ড স্কিনিক, হাসপাতাল। ১৫২/১/এইচ, (৬ তলা) গ্রীন রোড,পান্থপথ মোড়, ঢাকা, দৈনিক প্রথম আলো এবং জনকন্ঠ।
  • বিজ্ঞানী মার্থা হার-এর নেতৃত্বে ডেনমার্কের ওডেনসে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের গবেষকরা, ডয়চে ভেলে।
  • উইকিপিডিয়া।
  • ডা. মো: সাইফুল ইসলাম, এমবিবিএস, এমএস (ইউরোলজি), অ্যান্ড্রোলজি অ্যান্ড ফিমেল ইউরোলজি ইউনিট, ইউরোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, নয়া দিগন্ত।
  • সামসুল হক নাদিম, সার্টিফায়েড শকওয়েব প্রাক্টিশনার অ্যান্ড ম্যান সেক্সচুয়াল এক্সপার্ট যোগাযোগ-ইডি ট্রিটমেন্ট সেন্টার, ২০৬৬, অ্যাপোলো/ এভারকেয়ার হসপিটাল লিংক রোড (রয়েল স্কুল এবং ওয়াটারপলো সুইমিং পুল এর সাথে), বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা, দৈনিক মানবজমিন।
  • কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ডারমাটোলজি ও ভেনেরিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম চৌধুরী, বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ফিরোজ আমিন, প্রথম আলো।
  • মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ডা: মোঃ রাইসুল ইসলাম পরাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, হেলথ কেয়ার বাংলা।
  • Health Channel TV.
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.