First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

কোন মাথাব্যথা বিপজ্জনক, কী করবেন?

জীবনে কখনো মাথা ব্যথায় ভোগেননি এমন লোক হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিভিন্ন কারণে মাথা ব্যথা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দুশ্চিন্তা, মাইগ্রেন, অতিরিক্ত ধূমপান, ব্যথানাশক ওষুধের বেশি ব্যবহার, শরীরের পানি শূন্যতা ইত্যাদি।

মাথাব্যথা অতি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। মাথাব্যথা বিরক্তিকর ও কষ্টদায়ক সমস্যা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা মারাত্মক রোগ নির্দেশ করে না। 

মাথাব্যথা একটি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেক সময় আমরা এটিকে গুরুত্ব দিই না। কিছু মাথাব্যথা জটিল রোগের উপসর্গ। গুরুত্ব না দিলে এটি মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম এবং রিলাক্সে থাকুন মাথা ব্যথা কমে যাবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) হিসাব মতে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক বয়স্ক লোক বছরে একবার মাথা ব্যথা অনুভব করে। এ নিয়ে মাথা ব্যথার কোনো কারণ নেই। শতকরা ৯০ভাগের বেশি মাথাব্যথা (benign) জটিলতাহীন বা ক্ষতিকর নয়।

২০০এর বেশি ধরনের মাথাব্যথা আছে, যার বেশিরভাগই ক্ষতিকর নয়, কিন্তু কিছু কিছু মাথা ব্যথা আবার মারাত্মক ও জীবনের ঝুকিপূর্ণ।

কোন মাথাব্যথা বিপজ্জনক এবং এতে করণীয় কী সেই সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বরিশালের সাবেক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রবিউল ইসলাম।

International Headache Society মাথাব্যথাকে দুটি গ্রুপে ভাগ করেছেন।

Primary মাথাব্যথা ও Secondary মাথাব্যথা।

Primary Headache : সকল মাথাব্যথার শতকরা ৯০ ভাগই Primary মাথাব্যথা (Headache), যা সাধারণত জটিলতাহীন এবং বার বার হয়। অদ্যাবধি Primary মাথা ব্যথার কোনো কারণ জানা যায়নি, বা অন্য কোন রোগ বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গাঠনিক সমস্যার জন্য সৃষ্টি নয়।

Common Primary Headache গুলি হলো- Tension type headache, Migraine, Cluster headache, Chronic

daily headache

অন্যান্য Primary Headache খুবই কম উপলব্ধি হয়, যেগুলো হলো-

Primary stabbing headache, Primary cough headache, Primary exertional headache, Primary sex 

headache

Primary headache-এ প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য বিরক্তিকর মাথা ব্যথা হতে পারে, তবে এগুলো মারাত্মক নয়।

Secondary Headache : মাথা বা ঘাড়ের রোগের কারণে হয়। যেমন- সংক্রমণ (infection), মাথায় আঘাত পেলে (head

injury), মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা মস্তিষ্কের টিউমার ইত্যাদি।

কিছু Secondary headache আবার মারাত্মক নয়। যেমন- Medicine overuse headache বা cervicogenic headache.

Secondary Headache এর মারাত্মক কারণ গুলো হলো-

মস্তিষ্কের বাইরের পর্দার প্রদাহ (meningitis), মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (intracranial hemorrhage), মস্তিস্কের বাইরে রক্তক্ষরণ (Subarachnoid hemorrhage), মস্তিষ্কের টিউমার (Brain tumor), Temporal arteritis, Acute close angle

glaucoma (চোখের প্রেসার), Postictal headache (খিচুনি পরবর্তী মাথা ব্যাথা)।

কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ আছে যা দিয়ে আমরা এই মারাত্মক Secondary কারণগুলো ধারণা করি এবং দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা করতে পারি। সে গুলোকে red flags বলে, যেমন-

* ৫০ বছরের পর নতুন করে মাথা ব্যথা

* হঠাৎ তীব্র মাথা ব্যথা

* পূর্বের চেয়ে ঘন ঘন অধিকতর তীব্র মাথাব্যথা

* জ্বর, rash ও ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া

* HIV বা ক্যান্সার রোগীর নতুন করে মাথা ব্যথা

* হাঁচি বা কাশিতে মাথা ব্যথা

* হাত বা পা অচল হওয়া

* মাথায় আঘাতের পর তীব্র মাথা ব্যথা

* মস্তিষ্কের স্নায়ু ও শিরাসংক্রান্ত (নিউরোভাসকুলার) মাথাব্যথা : এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যেটি দেখা যায় তা হলো মাইগ্রেন ও দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা। দুশ্চিন্তা ও মাইগ্রেন শতকরা ৯০ ভাগ মাথাব্যথার জন্য দায়ী। মাথাব্যথা নানা কারণে হয়ে থাকে। টেনশন কিংবা দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, ক্লাস্টার, সাইনাস কিংবা চক্ষুজনিত মাথাব্যথা, হরমোনজনিত মাথাব্যথা, ব্রেন টিউমার, মগজের ভেতর রক্তপাত, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণে মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

Now common headache গুলো নিয়ে আলোচনা করব:-

Tension type headache: 

Tension headache সবচেয়ে বেশি কমন যা ২১শতাংশ লোকই উপলব্ধি করে।

আগে ধারণা করা হতো, এ ধরনের মাথাব্যথা মাংসপেশিতে tension-এর কারণে হয়। তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে ধারণা করা হয়, মাথা ও ঘাড়ের মাংসপেশির স্নায়ু কর্মতৎপর (activation) হয়ে ওঠার জন্য হয়।

প্রকৃত কারণ জানা না গেলেও কিছু উত্তেজক (trigger factor) এই মাথাব্যথার জন্য দায়ী, যেমন-

* মানসিক চাপ (stress)

* অনুপযুক্ত ভঙ্গিমা বা অবস্থান (posture)

* অপর্যাপ্ত ঘুম

* চোখের ক্লান্তি

* পানিশূন্যতা (dehydration)

* রক্তের কম শর্করা

Tension headache:

সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি তীব্রতা নিয়ে মাথার উভয় পাশে ব্যথা করে। মাথার উপরে চাপ, উভয় পাশে চাপ বা ফিতা দিয়ে মাথার চার পাশে চাপ অনুভূত হয়। মাথার পিছন দিক থেকে ব্যথা এগিয়ে আসে মাথার ওপর পর্যন্ত ৷ সাধারণত টেনশন হলে এই ধরণের মাথা হয়। এ মাথাব্যথা ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিনও থাকতে পারে।

প্রতিকার:

* রোগীকে শিক্ষা এবং পরামর্শ (education and counseling)

* জীবনধারা পরিবর্তন- নিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ কমানো (lifestyle modify)

* উত্তেজক (trigger factor) বর্জন

* মেডিকেশন- প্যারাসিটামল, NSAID (Naproxen, Ibuprofen), Aspirin, Amitriptyline

মানসিক চাপের মাথাব্যথা : 

এই ধরণের ব্যথা মূলত হয়, কপাল থেকে মাথার পিছন দিক হয়ে ঘাড়ে ৷ এই ব্যথা মূলত বেশিমাত্রায় হয় রাতে শোওয়ার সময়৷ এই ধরণের ব্যথার কারণ অতিরিক্ত কাজের চাপ বা স্ট্রেস ৷

মাইগ্রেন:

শতকরা ১০-১৫ ভাগ লোক এ ধরনের মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়। মাইগ্রেন মেয়েদের বেশি হয়। সাধারণত ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা ৪০-৫০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় মগজের রাসায়নিক বাহক সেরোটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং মাথা বাইরের ধমনিগুলো প্রসারিত হয়।

কপালের একদিকে অসহ্য ব্যথা হবে ৷ হঠাৎ করে কমে গিয়ে আবার ফিরে আসবে ৷ বমি বমি ভাব থাকবে ৷ এমনকী, চোখ ঝাপসাও হয়ে আসবে৷ এরকম হলে সেটা অবশ্যই মাইগ্রেনের লক্ষণ ৷ মাইগ্রেন দ্বিতীয় common headache। মাঝারি থেকে তীব্র মাথাব্যথা হয়। ২০ শতাংশ মহিলা এবং ৬ শতাংশ পুরুষ Migraine মাথাব্যথায় ভোগে। মাথাব্যথার সঙ্গে ২০ শতাংশ লোকের sensory উপসর্গ (Aura) থাকে। Aura সাধারণত চোখের সামনে তারা জ্বলজ্বল করে বা পর্দার মতো পড়ে। ১৫ থেকে ৩০ মিনিট স্থায়ী হয়। এরপর মাথার একপাশে ছটকানো (pulsatile /throbbing) মাথাব্যথা হয়, যা ৪ ঘণ্টা থেকে ৩ দিন স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বা বমি বমি ভাব, আলো ও শব্দ সংবেদনশীলতা থাকে। Migraine-এর প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। পূর্বে রক্তনালির প্রসারণকে দায়ী করা হতো। বর্তমানে মস্তিষ্কের স্নায়ু বিকলতা (Dysfunction)কে দায়ী বলে ধারণা করা হয়। তবে কিছু উত্তেজক (trigger) Migraine মাথাব্যথাকে ঘটায়। এগুলো হলো-

* চকলেট, পনির, প্রক্রিয়াজাত মাংস, সিম, বাদাম, দুধ, মাখন ও ঘি

* আলোর ঝলকানি

* তীব্র শব্দ

* তীব্র গ্রাম

*অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ও গরম

তীব্র লক্ষণগুলি:

- মাথাব্যথা সাধারণত মাথার একদিকে হয়। তবে ব্যথা সমস্ত মাথায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

-মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব হয়, এমনকি বমিও হতে পারে

-রোগী তখন আলো সহ্য করতে পারে না

-এ ধরনের মাথাব্যথা কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলতে পারে; কিন্তু দিনব্যাপী খুব কম হয়

-মাইগ্রেন রোজ, সপ্তাহ কিংবা মাসব্যাপী হতে পারে

-দুশ্চিন্তা, মদ্যপানে মাথাব্যথা বেশি হয়। পনির, চকলেট ইত্যাদি খাবারেও মাথাব্যথা বেশি হয়। ঘুমালে মাথাব্যথা কমে যায়

-মাইগ্রেনের বংশগত ইতিহাস থাকতে পারে

-সাধারণত কোনো স্নায়বিক উপসর্গ থাকে না

-হার্টের অলিন্দে ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে, তবে এ ক্ষেত্রে রোগী কোনো ধরনের হার্টের সমস্যা অনুভব নাও করতে পারেন। 

প্রতিকার:

* যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ বৃদ্ধি পায়, তা পরিহার করতে হবে। 

* উত্তেজক এড়িয়ে চলা

* মাথাব্যথা কমানোর জন্য মাঝারি ব্যথায় প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রফেন ব্যবহার করা যায়। সঙ্গে বমির জন্য ডমপেরিডন খাওয়া দরকার। তীব্র ব্যথা হলে ট্রিপটেন জাতীয় ওষুধ যেমন- almitriptane, rizatriptane খেতে হবে।

* স্বল্পস্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে প্যারাসিটামল, এরগোটামিন, পিজোটিফেন, প্রপ্রানালোল, এমিট্রিপটাইলিন ব্যবহার করা যেতে পারে। হার্টে ছিদ্র আছে কি-না তার জন্য ইকো কালার ডপলার পরীক্ষা করে হার্টের চিকিৎসার দরকার হতে পারে।

* মাথাব্যথা যদি মাসে দুবারের বেশি হয়, ১২ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয় বা তীব্র মাথাব্যথা হয়, তাহলে প্রতিরোধের জন্য বিটাব্লকার, এমিট্রিটাইসিন বা anticonuvlsant (valproate, topiramate) ব্যবহার করা যায়।

* Biofeedback, চিকিৎসকের পরামর্শ।

Cluster headache:

Cluster headache-এ তীব্র মাথাব্যথা হয়। এ ধরনের মাথাব্যথা খুব কম হয় (rare). Cluster headache দিনের নির্দিষ্ট সময় এক পাশের চোখের চতুর্দিকে তীব্র ব্যথা হয়। ব্যথার সঙ্গে চোখ ও একই পাশের নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়। ব্যথা ১৫ মিনিট থেকে ১৮০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। দিনে ১-২ বার হতে পারে। এমনই করে একনাগাড়ে কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ হতে পারে। তারপর কয়েক মাস বা বছর ভালো থাকে।

ক্লাস্টার মাইগ্রেনের চেয়ে কম হয়। এ ধরনের মাথাব্যথা মধ্যবয়স্ক পুরুষদের বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু মাইগ্রেন নারীদের বেশি হয়।

লক্ষণগুলো:

-তীব্র যন্ত্রণাদায়ক মাথাব্যথা।

-মাথাব্যথা সাধারণত এক চোখে ও চোখের পেছনে হয় এবং সেদিকের চোখ লাল হয়, পানি পড়ে। নাক দিয়েও পানি পড়ে।

-মাথাব্যথা হঠাৎ করেই হয়ে থাকে। পাঁচ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে ব্যথা সবচেয়ে বেশি হয় এবং আধ ঘণ্টার মধ্যে সেরে যায়।

-মাথাব্যথায় ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

-মদ্যপানে মাথাব্যথা বেশি হয়।

-মাথাব্যথা কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হয় এবং দিনে কয়েকবার করে হয়।

চিকিৎসা:

চিকিৎসা হিসেবে উচ্চমাত্রায় এনএসআইডি অথবা এরগোটামিন এবং ভেরাপামিল ব্যবহারে রোগীর সমস্যা কমতে দেখা যায়।

অর্ধেকের বেশি রোগী ফেস মাস্কের মাধ্যমে ১০০ ভাগ অক্সিজেন শ্বাসের সঙ্গে নিয়ে উপকার পায়। এসব রোগীর ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা উচিত।

প্রতিকার:

* চর্মের নিচে Sumatriptan ইনজেকশন বা ১০০ শতাংশ অক্সিজেন

* প্রতিরোধ Lithium, verapamil বা Steroid

Chronic daily headache:

তিন মাসের বেশি সময় ধরে যদি মাথাব্যথা মাসে ১৫ দিন বা তার অধিক সময়কাল হয়ে থাকে তাকে Chronic daily headache বলা হয়। ৪ ধরনের প্রাইমারি headache-এ এরকম হতে পারে। যেমন-

* Chronic migraine

* Chronic tension headache

* New daily persistent headache

* Hemicranias continua

Sinus Headache: (সাইনাসের মাথাব্যথা)

Sinus Headache সাইনাস প্রদাহের ফলে হয়। গালের উঁচু স্থানে, নাকের গোড়া ও কপালে সার্বক্ষণিক মৃদু ব্যথা এবং সঙ্গে জ্বর সর্দি থাকে। নাক বন্ধ হয়ে আসে ৷ কপালের মাঝখানটায় ব্যথা হতে থাকে ৷ চোখের নিচ দিকেও ব্যথা অনুভূত হয় ৷ 

যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয়, তাদের সাইনোসাইটিস থেকে এ ধরনের মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

লক্ষণগুলো:

-ঠাণ্ডা কিংবা সর্দি-কাশি লাগার সময় কিংবা পরে এ ধরনের মাথাব্যথা শুরু হয়।

-ব্যথা মুখমণ্ডলের কিংবা মাথার কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে।

-মাথাব্যথা সকালের দিকে বেশি হয়।

-হাঁচি-কাশি দিলে ব্যথা বেশি হয়। হঠাৎ করে মাথা নাড়লেও ব্যথা বেশি হয়।

-শীতকালে বেশি হয়।

-রোগ নির্ণয়ের জন্য এক্স-রে বা সিটি স্ক্যান করতে হবে।

চিকিৎসা:

চিকিৎসা হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিহিস্টমিন, ডিকনজেস্ট্যান্ট কিংবা নাকের স্প্রে দেওয়া হয়।

Medication Overuse Headache: (ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার জনিত)

মাথাব্যথার জন্য যদি কেহ সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন বা মাসে ১০ দিনের বেশি মাথাব্যথার ওষুধ খায়, তবে এ ধরনের মাথাব্যথা হতে পারে।

হজমের সমস্যায় মাথাব্যথা : 

গোটা কপাল জুড়ে ব্যথা হবে ৷ চোখের পাতাতেই ব্যথার প্রভাব থাকবে ৷ এরকম ব্যথা অনেকসময়ই হয় কিডনি-র সমস্যা, গলব্লাডারের সমস্যা বা বদহজম হলে ৷

চক্ষুজনিত মাথাব্যথা:

শতকরা ৫ ভাগ মাথাব্যথা চোখের কারণে। চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে মাথাব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ পড়াশোনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা কিংবা কম্পিউটার স্ট্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মাথাব্যথা হতে পারে। চোখের কোনো রোগ, যেমন- কর্নিয়া, আইরিশের প্রদাহ, গ্লুকোমা এবং রেট্রোবালবার নিউরাইটিস ইত্যাদি কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। চক্ষুজনিত মাথাব্যথা সাধারণত চোখে, কপালের দু'দিকে কিংবা মাথার পেছনে হয়ে থাকে। চক্ষুজনিত মাথাব্যথায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

হরমোনজনিত মাথাব্যথা:

নারীদের মাসিকের সময় হরমোনের ওঠানামার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে মাথাব্যথা হতে পারে। মাসিক চক্র শেষ হলে কিংবা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে এ ধরনের মাথাব্যথা ভালো হয়ে যায়।

মাথাব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শই উত্তম।

তথ্যসূত্র:

  • ডা. শহীদুল্লাহ সবুজ সহযোগী অধ্যাপক নিউরোলজি বিভাগ বিএসএমএমইউ, সমকাল।
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), 
  • শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বরিশালের সাবেক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রবিউল ইসলাম,
  • যুগান্তর অনলাইন ।
  • কালের কন্ঠ।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.