নাকের ভিতর মাংস বৃদ্ধি এবং পলিপাস এর সাথে মাংস বৃদ্ধির পার্থক্য কি?
মানুষের শরীরে প্রত্যেকটা অঙ্গ অত্যন্ত মূল্যবান। তার মধ্যে নাক অনেক মূল্যবান একটি অঙ্গ। নাক দিয়ে মানুষ তার অতি প্রয়োজনীয় শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ এবং ত্যাগ করে। এর সঙ্গে সঙ্গে গন্ধও বুঝতে পারে।
নাকের মাংস বৃদ্ধির কারণ: নাকের দুই পাশে দুটি ছিদ্রযুক্ত কক্ষ আছে। এই কক্ষ দুটির মাঝখানে যে একটি দেয়াল আছে একে সেপ্টাম বলা হয়। এই সেপ্টামে ফোমা হলে নাকের মাংশ বাড়তে পারে। এছাড়া আরও যেসব কারণে এই রোগ হতে পারে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: নাকের বুটি বা মাংস বেড়ে গেলে। * বাইরের শক্ত কিছু আটকে যাওয়া বা ঢোকা থেকে। * অনেক সর্দিজনিত কারণে হতে পারে। * সাইনুসাইটিসের জন্য হতে পারে। * টিউমারজনিত কারণে (প্যাপিলোমা বা ফাইব্রোমা বা ক্যান্সার)। * যে কোনো আঘাতের কারণে হতে পারে।রোগের লক্ষণগুলো : এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর মধ্যে সচরাচর যে সমস্যাগুলো বা লক্ষণগুলো দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: * নাকের ভিতর শিরশির করতে থাকে। * নাক সব সময় ভারি বোধ হয়। * নাক সব সময় বন্ধ থাকে, বিশেষ করে রাতে যখন ঘুমাতে যায় তখন যে পাশে কাত হয় তার বিপরীত পাশে। * ফোলা ফোলা মনে হয়। * নাকের উপরি ভাগে লাল রং হয়ে থাকে। * নাক দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া যায় না। বেশির ভাগ সময় মুখ হাঁ করে শ্বাস টানতে হয়।
চিকিৎসা : সঠিকভাবে কারণ বুঝে এই রোগের চিকিৎসা দিতে হবে। * রোগীর শরীরে যদি জ্বর থাকে বা ব্যথা হয় তাহলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে। যেমন: রোগীকে দেওয়া যেতে পারে; ট্যাব নাপা ৫০০ এমজি বা ট্যাব পাইরেক ৫০০ এমজি বা ট্যাব এইস ৫০০ এমজি বা ফাস্ট ৫০০ এমজি বা ট্যাব, রিসেট বা ট্যাব প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি ইত্যাদি। খাওয়ার নিয়ম : একটা করে ট্যাবলেট দিনে তিনবার করে ভরা পেটে খেতে হবে। * বেশি করে নাক চুলকালে বা বন্ধ হলে মেবহাইড্রোলিন নাপাডিসাইলেট জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধ ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। যেমন, ট্যাব, মেরলিন বা ট্যাব, ইনসিভাল বা ট্যাব মেপাডিস বা ট্যাব, মেবাশিন বা ট্রাব, মেড্রলিন ইত্যাদি। খাওয়ার নিয়ম হলো, একটা করে ট্যাবলেট দিনে দুইবার খেতে হবে। * টারফেনাডিন জাতীয় ওষুধ। এই ওষুধ ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। যেমন ট্যাবলেট, ডাইনাফেন বা ট্যাব, নোসিজন ইত্যাদি। এই ওষুধ খাওয়ার নিয়ম হলো একটা করে ট্যাবলেট দিনে দুইবার খাওয়াতে হবে। * যদি নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং হ্যানছেনি বা শিরশির বন্ধ করার জন্য জাইলোমেটাজলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এটি স্প্রে ও ফোঁটা ফোঁটা আকারে ব্যবহার করা হয়। যেমন ড্রপ, এন্টাজন বা ড্রপ, রাইনোজল বা ড্রপ নোভিন ইত্যাদি। এই ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম হলো: ছোট শিশুদের জন্য ০.০৫% এবং বয়স্কদের জন্য ০.১% বযস অনুযায়ী দিনে তিন থেকে চার ফোটা করে নাকের ভিতর দিয়ে নিঃশ্বাস টানতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রাথমিক অবস্থা থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। অন্যথায় জটিলতা বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
মাংস বৃদ্ধির সাথে পলিপাস এর পার্থক্য:
নাকের পলিপ অতি পরিচিত একটি সমস্যা। সামান্য নাক বন্ধ অবস্থায় নাকের মধ্যে মাংসপিণ্ডের মতো কিছু একটা দেখলেই অনেকে সেটিকে নাকের পলিপ বলে মনে করেন। যদিও নাকের মধ্যকার পলিপ অনেকটা পিণ্ডাকৃতিরই হয়ে থাকে, তবে নাকের মধ্যে সব ধরনের পিণ্ডই কিন্তু পলিপ নয়। পলিপ কথার একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। পলিপ হচ্ছে ফুলে যাওয়া ঝিল্লির একটি রূপ। এটি ফুলে একটি বিভিন্ন আয়তনের পিণ্ডের মতো হয়ে থাকে। আকৃতি, আয়তন ও রঙের দিক থেকে সাধারণভাবে নাকের পলিপ দেখতে অনেকটা পরিপক্ব আঙুর ফলের মতো। পলিপের রং কখনোই মাংসপেশির মতো লালচে হয় না। আসলে এটা নাকের ভেতরের দিকে হয় এবং দেখতে স্বচ্ছ। পলিপ আঙুর দানার মতো গোলাকার ও ফ্যাকাসে রঙের হয়ে থাকে। নাকের পলিপ নাক ও সাইনাসের (বায়ুভর্তি কুঠুরি) মধ্যস্থিত ঝিল্লির স্ফীতাকার পিণ্ডবিশেষ।
সাধারণত নাকের এক ধরনের বোটা থাকে। এটা দেখে অনেকে নাকে পলিপ হয়েছে বলে ধরে নেয়। এই ধারনাপি একেবারেই ভুল। পলিপ নাকের গভীরে হয়ে থাকে। নাকের মধ্যে এক ধরনের মাংস পিণ্ডকে পলিপ বোঝানো হয়। এটাকে মাংসপিণ্ড বলা হলেও আসলে এটা মাংসপিণ্ড নয়। ইংরেজিতে এটাকে বলা হয় ম্যাস। পলিপ দুই নাকেই হতে পারে। রোগীর পলিপ নির্ণয় করা বেশ সহজ। নাকের সামনের দিক থেকে আলো ফেলে বা মুখ হাঁ করে নাকের ভেতরের দিক থেকে পেছনে আয়না দিয়ে দেখলে পলিপ দেখা যায়।
রোগীরা সাধারণত যাকে পলিপ বলে থাকেন সেটা আসলে নাকের মধ্যে মাংস ফুলে যাওয়াকে তারা বুঝিয়ে থাকেন। মেডিকেলের ভাষায় একে হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেট বলা হয়। নাকের ভেতরে, পার্শ্ব দেয়ালে দুই দিকে দুইটি তাকের মতো মাংসপিণ্ড থাকে। একে আমরা ইনফেরিয়র টারবিনেট বলি। এই ইনফেরিয়র টারবিনেটের প্রদাহ হলে এর আকৃতি বড় হয়ে যায়। যাকে হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেট বলা হয়। এটা সাইনাস থেকে আসে না। নাকের ভেতর থেকে এর উৎপত্তি। মেডিকেল ভাষায় এটা পলিপ নয়। অনেক ক্ষেত্রেই পলিপ এবং হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেটের কারণ একই এবং এ দুটো একসঙ্গে বিদ্যমান থাকে।
নাকের পলিপ সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে-
১. ইথময়েডাল পলিপ, যা উভয় নাসারন্ধ্রেই হয়ে থাকে। এই ধরনের পলিপ শিশুদের কম হয়।
২. এন্ট্রোকোয়োনাল পলিপ, এটি শিশুদের বেলায় বেশি দেখা দেয়। দুই ধরনের পলিপ হওয়ার পেছনের কারণও ভিন্ন। একইভাবে উপসর্গ ও চিকিৎসা কৌশলেও ভিন্নতা রয়েছে। এবার পৃথকভাবে ধারণা নেওয়া যায়, এ দুই ধরনের পলিপ সম্পর্কে।
এন্ট্রোকোয়ানাল পলিপ:
এ ধরনের পলিপের উত্থান ঘটে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অভ্যন্তরে বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী মুখের আশপাশে। ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অবস্থান চিবুকের নিচে। বায়ুভর্তি দুটো কুঠুরি থাকে নাকের দুই পাশে। এন্ট্রোকোয়ানাল পলিপ সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। সাধারণত যেকোনো একদিকে একটিমাত্র হয়ে থাকে। এ ধরনের পলিপের তিনটি অংশ থাকে। এর বোঁটার অংশটি থাকে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের ভেতরে মুখের কাছে, পায়ের স্ফীত অংশটি থাকে নাকের সুড়ঙ্গে, আর শেষের অংশটি নাকের পেছনের ছিদ্র দিয়ে মুখগহ্বরে ঝুলে থাকে।
যে কারণে হয়:
যদিও সঠিক কারণ জানা যায়নি, তবে ধারণা করা হয়, নাকের অ্যালার্জি যখন সাইনাসের অভ্যন্তরীণ ঝিল্লিকে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে এবং বারবার সেখানে সংক্রমণ হয়, তখন ধীরে ধীরে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অভ্যন্তরে বহিনির্গমনের পথের আশপাশে স্ফুরণ ঘটে এই পলিপের। তারপর ক্রমান্বয়ে বেড়ে উঠতে থাকে। এভাবেই সাইনাস থেকে বেড়ে বেরিয়ে আসে নাকের মধ্যে এবং একপর্যায়ে বড় হতে হতে, সেটি নাকের পেছন দিক দিয়ে মুখের ভেতরে ঝুলে পড়ে।
কীভাবে বোঝা যাবে:
প্রথম দিকে একদিক বন্ধ থাকে। নাক বন্ধ থাকার জন্য গলার স্বর পরিবর্তিত হয়ে নাকিসুরে কথা তৈরি হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে সব সময়ই নাক দিয়ে কিছু না কিছু শ্লেষ্মা ঝরে। নাক পর্যবেক্ষণ করলে নাকের ভেতরে ফ্যাকাসে মাংসপিণ্ডের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।
এন্ট্রোকোয়ানাল পলিপ নির্ণয়ের জন্য এক্সরে এবং সিটি স্ক্যান করলেই বোঝা যায় পলিপের অবস্থান ও ব্যাপকতা। সেইসঙ্গে নাকের অন্য কোনো টিউমারের কারণে এটি হয়েছে কি না তাও দেখা প্রয়োজন।
চিকিৎসা কেমন হবে:
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাকের এই পলিপ নাকের ভেতর দিয়ে অথবা ঠোঁটের নিচ দিয়ে পাশের দাঁতের গোড়া বরাবর ছিদ্র করে ম্যাক্সিলারি সাইনারের ভেতর থেকে সমূলে উৎপাটন করা যেতে পারে। সঠিক অস্ত্রোপচারের পর সাধারণত এ ধরনের নাকের পলিপ আর পুনরায় বেড়ে উঠতে দেখা যায় না। ওষুধ দিয়ে এ ধরনের পলিপের চিকিৎসা সম্ভব নয়। অস্ত্রোপচারই কার্যকর চিকিৎসা। সনাতন পদ্ধতির অস্ত্রোপচারে পুনরায় পলিপ দেখা দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে আধুনিক পদ্ধতির ফাংশনাল এন্ডোস্কোপিক সাইনাস সার্জারিতে নিরাময়ের হার বেশ ভালো হয়। কারণ, এ ক্ষেত্রে নাকের ভেতর সরু এন্ডোস্কোপ ঢুকিয়ে মনিটরে বড় আকারে নাকের ভেতরের সবকিছু ভালোভাবে দেখা যায় এবং সহজেই পলিপ বের করে আনা যায়।
শিশুর নাকে মাংস বাড়া ও শ্বাসকষ্টে করণীয়:
শীতের সময়ে শিশুদের বিভিন্ন অসুখ দেখা দেয়। এ সময় সর্দি-জ্বর খুব সাধারণ সমস্যা। দীর্ঘ ঠাণ্ডা-কাশিসহ অন্যান্য কারণে শিশুর নাকের ভেতরে মাংস বেড়ে যেতে পারে। এমনটি হলে শিশুর শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়। শিশু হা-করে ঘুমোয়, শব্দ হয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, সর্দি লাগার কারণে নাকের পেছনে এডিনয়েড নামক লসিকাগ্রন্থি বড় হয়ে যায়। ফলে নাকে মাংস বাড়ে।
এডিনয়েড গ্রন্থি কী:
নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি থাকে। এটি গঠনগত দিক থেকে টনসিলের মতো। এডিনয়েড বাইরে থেকে দেখা যায় না। কারণ আমাদের তালুর ওপরে এডিনয়েড থাকে। কাজেই এটা খালি চোখে দেখার কোনো উপায় নেই। তবে টনসিল হাঁ করলে দেখা যায়। এডিনয়েড দেখতে হলে এক্স-রে করতে হবে বা বিশেষ ধরনের অ্যান্ড্রোস্কোপ আছে, সেগুলো দিয়ে দেখা যেতে পারে।
শিশুর ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগার কারণে নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়। যার কারণে নাকের মাংস বাড়ে।
ঠাণ্ডার কারণে আরও যেসব রোগ হয়:
ঘন ঘন ঊর্ধ্ব শ্বাসনালির সংক্রমণ, সর্দি-কাশি-নাক বন্ধ, প্রায়ই অ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, ক্রনিক টনসিলের ইনফেকশন, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা ও ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে।
এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হলে যেসব সমস্যা হয়:
১. শিশু মুখ হ্যাঁ করে ঘুমায়। রাতে ঘুমের মধ্যে শব্দ হয় বা নাক ডাকে। এ সমস্যা বেশিমাত্রায় হলে ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে। যাকে চকিং বলে। ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য দম বন্ধ থাকতে পারে। যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া বলে।
২. বাচ্চা ঘন ঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে। একবার সদি-কাশি হলে তা সহজে সারতে চায় না।
৩. সমস্যা গলার পেছন থেকে ইউস্টেশিয়ান টিউবের মাধ্যমে কানে চলে যায়। ফলে ঘন ঘন কানে ব্যথা, কানে ইনফেকশন, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া, কানের ভেতর পানি জমা, কানে কম শোনা বা গ্লুইয়ার সমস্যা হতে পারে।
৪. এডিনয়েডের কারণে ঘন ঘন গলার ইনফেকশন, খুসখুসে কাশি, গলার স্বর বসে যাওয়া হতে পারে।
৫. শরীরের ভেতর অক্সিজেনের স্বল্পতার জন্য ঘুম ঘুম ভাব, পড়ালেখা ও স্কুলে অমনোযোগী হওয়া, বুদ্ধিমত্তা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। রাতে বিছানায় প্রস্রাবও করতে পারে।
কী করবেন:
অনেক সময় শিশুর বয়স ১২-১৪ হলেও এডিনয়েড স্বাভাবিক হয় না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। এমন হলে লম্বা স্বরের জন্য এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। তাতেও নিরাময় না হলে ছোট অপারেশনের মাধ্যমে এডিনয়েড ফেলে দিতে হয়।
তথ্যসূত্র:
- অধ্যাপক ডা. একেএম মোস্তফা হোসেন, অ্যাজমা ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ মেডিনেভা, মালিবাগ, ঢাকা, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
- ডা. সজল আশফাক, সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, এনটিভি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক কান ও গলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার, একুশে টিভি।
- ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী, এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), নাক-কান-গলা বিভাগ, বিএসএমএমইউ (প্রেষণে), ঢাকা, যুগান্তর।
- Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই