First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

চোখের সুরক্ষা এবং চোখের ব্যায়াম

দূরের দৃষ্টি হারাচ্ছে বর্তমান প্রজন্ম:

স্ক্রিনের ব্যবহার এত বেড়ে গিয়েছে যে, দূরের দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছে বর্তমান প্রজন্ম৷ করোনাকালে সমস্যা আরো বেড়েছে৷

ঠিক মতো পড়তে পারছেন? স্ক্রিনের এই লেখাটা পড়ার জন্য চোখ কি খুব কাছে নিয়ে যেতে হচ্ছে? আপনার দৃষ্টি কি আগের মতোই আছে? না কি কোভিড সময়ে দৃষ্টিশক্তি খারাপ হয়েছে?

করোনা পৃথিবীর প্রায় সমস্ত মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে৷ লকডাউন, বাড়ি থেকে পড়াশোনা, ওয়ার্ক ফ্রম হোম-- এই সবকিছুর জন্যই মানুষ স্ক্রিনের উপর আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন৷ সারাক্ষণ সকলে তাকিয়ে আছেন ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, মোবাইল স্ক্রিনের দিকে৷ বাড়ির বাইরে মানুষ বেরোচ্ছেন না৷ ফলে প্রায় গোটা সময়টাই সকলে তাকিয়ে থাকছেন স্ক্রিনের দিকে৷ এর ফলে চোখ দূরের দিকে তাকাচ্ছে না৷ সারাক্ষণ হয় স্ক্রিন নয় বাড়ির ভিতরের বিভিন্ন জিনিসের দিকে দৃষ্টি যাচ্ছে৷ যাকে বলে কাছের দৃষ্টি৷ কিন্তু চোখ ভালো রাখার জন্য কাছের এবং দূরের দৃষ্টি দুইটিই জরুরি৷

দূরে এবং কাছের দৃষ্টি, আর্দ্র চোখ, পরিষ্কার চোখ, সূর্যের অতিবেগুনি রশি, চোখের ব্যায়াম এবং চোখের পুষ্টি সম্পর্কে বিশেষ নজর দিতে হবে।
চোখের ব্যায়াম:- এই সময়ে চোখের ব্যায়ামখুব জরুরি৷ বিশেষ করে ছোটদের চোখে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে৷ নেদারল্যান্ডস এবং চীনের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, কোভিড সময়ে মায়োপিয়ার মতো সমস্যা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে৷ বিশেষ করে ছোটদের চোখে এই সমস্যা সব চেয়ে প্রকট৷ চিকিৎসকরা এর নাম দিয়েছেন কোয়ারান্টিন মায়োপিয়া৷

চীনে এক লাখ ২০ হাজার শিশুকে পরীক্ষা করা হয়েছে৷ স্কুল পড়ুয়া এই শিশুদের চোখ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ছয় থেকে আট বছরের শিশুদের মধ্যে মায়োপিয়া হওয়ার প্রবণতা সব চেয়ে বেশি৷ ২০১৯ এর তুলনায় ২০২০ সালে এই বয়সের শিশুদের চোখে মায়োপিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে তিন গুণ৷

গোড়ার সমস্যা:- চিকিৎসকরা বলছেন, গত প্রায় এক বছরে শিশুরা বাড়িতে বসে থেকেছে৷ সারাক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকেছে৷ দূরের জিনিস দেখেনি৷ ফলে তাদের দূরের দৃষ্টিশক্তি ঠিকমতো তৈরিই হচ্ছে না৷ দৃষ্টিশক্তি এক দিনে তৈরি হয় না৷ আট বছর পর্যন্ত শিশুদের চোখের গঠনগত পরিবর্তন হতে থাকে৷ ফলে এই বয়সের শিশুরা দূরের জিনিস না দেখতে দেখতে, দূরের দৃষ্টিশক্তিই হারিয়ে ফেলছে৷ বড় হওয়ার পরেও তাদের এই সমস্যা কাটবে না৷

ছয় থেকে আট বছরের মধ্যে আইবল যদি খুব বড় হয়ে যায়, তাহলে দূরের দৃষ্টির ক্ষমতা একেবারে কমে যায়৷ কাছের জিনিস দেখলে, খুব ফোকাস করে কোনো কিছু দেখলে আইবল বড় হয়৷ করোনাকালে ঠিক সেটাই ঘটেছে শিশুদের চোখে৷ এর থেকে রেটিনার সমস্যা হতে পারে৷ এমনকী, বেশি বয়সে অন্ধত্বও হতে পারে৷

যত বেশি পড়াশোনা, তত বেশি দৃষ্টিশক্তির সমস্যা:- ব্রিয়ান হোলডেন ভিশন ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, একুশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পৌঁছে, বিশ্বের পাঁচ বিলিয়ন মানুষ অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক মানুষ কেবলমাত্র কাছের জিনিস দেখতে পাওয়ার সমস্যায় ভুগবে৷ গত এক দশকে উন্নত দেশে এই সমস্যায় ভোগা রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে৷

মজার বিষয় হলো, সমীক্ষা বলছে, পড়াশোনার সঙ্গে মায়োপিয়ার সরাসরি যোগ আছে৷ যাঁরা বেশি পড়াশোনা করেছেন, তাঁদের মায়োপিয়ার প্রবণতাও বেশি৷

এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো খুব ছোট বয়স থেকে কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা৷ মানুষের বাইরে যাওয়া এমনিই কমে গিয়েছে৷ রাস্তায় গিয়ে, মাঠে গিয়ে সুদূরের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস মানুষের কমে গিয়েছে৷ 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় এই ধরনের সমস্যা ক্রমশ বাড়তে শুরু করে৷ হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ যুবক এই রোগে ভুগছেন৷ চীনের ৮০ শতাংশ মানুষ দূরের জিনিস ঠিকমতো দেখতে পান না৷ ইউরোপে অর্ধেক মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত৷

দূর এবং দিনের আলো:- মায়োপিয়ার হাত থেকে বাঁচার উপায় হলো, যে কোনো কাজ করার সময় মাঝে মাঝেই একটু দূরের দিকে তাকানো৷ এটা অভ্যাস করে ফেলতে হবে৷ খুব মন দিয়ে মোবাইল বা ট্যাবলেটে কাজ করার সময়ও মাঝে মাঝেই দূরের দিকে তাকাতে হবে৷

সূর্যের আলোও খুব জরুরি৷ দিনের কিছুটা বাইরে কাটাতেই হবে৷ সূর্যের আলো আইবলের গ্রোথ ভালো করে৷ স্ক্যানডেনেভিয়ার একটি সমীক্ষা বলছে, অন্ধকার মরসুমে মায়োপিয়া বাড়ে৷ আলো থাকলে মায়োপিয়ার সমস্যা অনেক কমে যায়৷

নীল আলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়:- স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে শুধুমাত্র মায়োপিয়ার সমস্যাই হয় না৷ এর ফলে শিশুদের চোখের জল শুকিয়ে যেতে থাকে৷ পরিভাষায় যাকে ড্রাই আই বলা হয়৷ চোখকে ক্লান্ত করে দেয় স্ক্রিন৷ স্মার্টফোনের নীল আলোর দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটতে পারে৷

ইদানীং অবশ্য বহু স্মার্টফোনই ব্লু লাইট রিডাকশনের ব্যবস্থা থাকে৷ নাইট মোড থাকে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও ঘুমের অন্তত দুই ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করে দেওয়া উচিত৷ কোনো স্ক্রিনের দিকে না তাকানোই ভালো৷

শিশুদের হাতে ইলেকট্রনিক ডিভাইস দেওয়া বন্ধ করা উচিত৷ চিকিৎসকদের বক্তব্য হলো, তিন বছর বয়স পর্যন্ত যে কোনো স্ক্রিন শিশুদের চোখের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর৷ চার থেকে ছয় বছরের শিশুদের দিনে তিরিশ মিনিটের বেশি স্ক্রিনের দিকে তাকানো ঠিক নয়৷ কিন্তু বিশেষ করে করোনাকালে সেই হিসেব সম্পূর্ণ বদলে গেছে৷ অনলাইনে ক্লাস করতে গিয়ে শিশুদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে৷ এর থেকে নিস্তার পাওয়ার একটাই সুযোগ৷ সুযোগ পেলেই বাইরে যাওয়া৷ খোলা আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে দূরের দিকে তাকানো৷


চোখের সুস্থতায় ব্যায়াম:

শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ চোখ। অথচ এই চোখের উপরেই যাবতীয় চাপ। অফিসে সারা দিন কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের সামনে কাজ। অবসর সময়ে টিভি বা মোবাইলে ব্যস্ততা। বেশিরভাগ সময়টাই কেটে যায় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। এর ফলে দেখা দিচ্ছে চোখের নানা সমস্যা।

শরীর সুস্থ রাখতে চিকিৎসকরা যেমন শরীরচর্চা করতে বলেন, তেমন চোখের জন্যও কিছু ব্যায়াম করা প্রয়োজন। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, চোখ ব্যথা, লাল হয়ে যাওয়া, জল পড়ার মতো কিছু সমস্যা মেটাতে ভরসা রাখতে পারেন সহজ কয়েকটি যোগাসনের উপর। দেখে নিন চোখের যত্নে কোন কোন এক্সারসাইজ করবেন।

হাতের তালুর ব্যবহার:

দু'হাতের তালু খানিকক্ষণ ঘষে গরম করে নিন। এবার চোখ বন্ধ করে হাত দু'টি চোখের উপরে রাখুন। দুই হাত ঘর্ষণের ফলে তালুতে যে তাপ উৎপন্ন হবে, সেই তাপ দিন চোখে। গভীরভাবে শ্বাস নিন এবং কয়েক মিনিট চোখের উপরে হাত ধরে রাখুন। এটি ক্লান্ত চোখকে প্রশমিত করে এবং চোখের চাপ কমায়।

চোখের মণি ঘোরানো:

মেরুদণ্ড একেবারে সোজা রেখে বসুন। চোখের মণি বৃত্তাকার গতিতে ঘড়ির কাঁটার অভিমুখে এবং ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ১০ বার করে ঘোরান। তার পর চোখ বন্ধ রাখুন মিনিট খানেক। খুব ধীরে ধীরে চোখ ঘোরাবেন। চোখের পেশী শিথিল করতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এই ব্যায়াম।

ফোকাস শিফটিং:

একেবারে সোজা হয়ে বসুন। আপনার সামনের দিকে হাত প্রসারিত করে বুড়ো আঙুলটা বার করে রাখুন। অনেকটা থাম্বস আপ-এর মতো করে। এই আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। তারপরে দূরের কোনও জিনিসের দিকে তাকিয়ে থাকুন খানিকক্ষণ। এই ভাবে বার কয়েক হাতের বুড়ো আঙুল এবং দূরের জিনিসের দিকে দৃষ্টি স্থানান্তর করা চালিয়ে যান। এই ব্যায়াম চোখের পেশী শক্তিশালী করে এবং ফোকাস উন্নত করতে সাহায্য করে।

বালাসন:

হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসুন। এ বার শরীরটা সামনের দিকে বাঁকান। শরীরটা এমন ভাবে বাঁকান যাতে বুকটা উরুতে ঠেকে। কপাল মেঝেতে রাখুন। হাত দু'টি সামনের দিকে প্রসারিত করে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন এবং ধীরে ধীরে শ্বাস নিন। এই ব্যায়াম ঘাড়, কাঁধ এবং চোখের চাপ উপশম করতে সাহায্য করে।

উর্ধ্ব মুখ স্বনাসন:

মাটিতে উপুর হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো বুকের দু পাশে রাখুন। হাতের তালু রাখুন মেঝেতে। আঙুল সোজা রাখবেন। এই অবস্থায় হাতে ভর দিয়ে মাথা ও বুক ওপরের দিকে যতটা সম্ভব তুলুন। সামান্য উপরে তাকান। উরু মেঝেতে ঠেকে থাকবে। এই ভঙ্গিটি ঘাড়, কাঁধ এবং চোখ প্রসারিত করে, রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং চোখের চাপ কমায়।

চোখের বিভিন্ন সুরক্ষা:

  1. শুধু ফুসফুস সুস্থ রাখতেই যে মুক্ত বাতাসের প্রয়োজন তা নয়, চোখের কার্নিয়া সুস্থ রাখতেও মুক্ত বাতাসের প্রয়োজন। কারণ চোখ নিজস্ব অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না। বিশেষ করে যারা বদ্ধ ঘরে কাজ করেন তাদের জন্য মুক্ত বাতাস অতীব প্রয়োজনীয়।
  2. পড়াশোনা করার সময় যেন ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ আলো কম হলে চোখের পেশীগুলিতে চাপ পড়ে চোখের নানা রকম সমস্যা যেমন মাথা ঘোরা, চোখ লালা ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
  3. চোখের নিজস্ব পানি সংবেদনশীল চোখকে বাইরের ধুলোবালি থেকে রক্ষা করতে এবং চোখের অসুখ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এজন্য চোখে পরিমিত পানি বজায় রাখতে শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকা প্রয়োজন অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা প্রয়োজন কারণ শুষ্ক চোখেই যত সমস্যা।
  4. অতিরিক্ত সূর্যের আলো চোখের জন্য অত্যন্ত ক্ষতি করে। সূর্যের 'আল্ট্রা ভায়োলেট রে' বা অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এজন্য রৌদ্রে বের হলে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষাকারী সানগ্লাস বা ছাতা বা মাথার ক্যাপ ব্যবহার করুন। এতে চোখ রক্ষার পাশাপাশি চোখের ছানি পড়ার প্রকোপও কমবে। তবে এনার্জি প্রোডাকশন এবং ভিটামিন ডি এর জন্য শরীরে সূর্যের আলো লাগা অত্যন্ত জরুরী। এক্ষেত্রে শরীরে অন্যান্য অঙ্গে রৌদ্রের আলো লাগিয়ে শুধু চোখটা রক্ষা করলেই চলবে।
  5. শরীরে বিটা ক্যারোটিন এর অভাব হলে রাতে মানুষ কম দেখে এজন্য পর্যাপ্ত পরিমানে বিটা ক্যারোটিনযুক্ত খাবার খেতে পারেন। আমাদের চারপাশেই বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ বহু ফলমূল এবং শাকসবজি রয়েছে এবং দামটাও হাতের নাগালেই। প্রায় সব রকমের রঙিন ফল ও শাকসবজিতে বিটা ক্যারোটিনের উপস্থিতি রয়েছে। আমাদের অতি পরিচিত গাজর হলো বিটা ক্যারোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস। তবে গাজর সামান্য তেল দিয়ে মেখে নিয়ে খেলে শরীরটা সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারে। দিনে অন্তত একটি মাঝারি গাজরই যথেষ্ট। এ ছাড়া সবজির মধ্যে ব্রকলি, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, শালগম, মটরশুঁটি, বাঁধাকপি, লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম, পার্সলেপাতা, লেটুসপাতা, স্কোয়াশ ইত্যাদিতে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। আমাদের দেশীয় ফলের মধ্যে আম, তরমুজ, পাকা বরই, বাঙ্গি, বেরিজাতীয় ফল ইত্যাদিও বিটা ক্যারোটিনের অংশ। এসব ফল ও শাকসবজি উচ্চ তাপে রান্না করার বদলে অল্প তাপে সামান্য রান্না করে অথবা সম্ভব হলে কাঁচা খেলে এর পুষ্টিমান বেশি পাওয়া যায়।
  6. সবুজ সবজিতে থাকা লুটেইন চোখের অসুখকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে বয়স বারার সাথে সাথে চোখের যেসব সমস্যা হয় তা থেকে। প্রতিদিন গড়ে দেড়শ গ্রাম সবুজ সবজি চোখের জন্যে যথেষ্ট।
  7. ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোজা কথা ছোটবেলা থেকেই চোখের যত্ন নিলে বয়স বাড়লে তখন তেমন আর সমস্যা থাকে না। তাই ওমেগা 3 সমৃদ্ধ খাবার যেমন সামুদ্রিক মাছ বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া শুরু করুন।
  8. অনেকে চোখের উপরে মেকআপ ব্যবহার করেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন সেটা চোখের জন্য উপযুক্ত হয়। অর্থাৎ এতে যেন সংরক্ষণকারী রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত না থাকে। রাসায়নিক পদার্থ চোখের চুলকানি সহ নানা রকম ক্ষতি করতে পারে।

তথ্যসূত্র:

  • ডাক্তার, ইয়েন্স ডাওজিনস্কি, লাইপসিগ বিশ্ববিদ্যালয় এর চক্ষু বিশেষজ্ঞ, ডয়চেভেলে, জার্মানি।
  • জামিয়া রহমান খান তিসা, প্রথম আলো।
  • স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট, বোল্ডস্কাই।
  • মুনস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অপথালমোলজির ডিরেক্টর নিকোল এটার, জার্মানি, ডয়চে ভেলে।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.