First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

What is Virginity & Hymen? প্রথমবার যৌনমিলনে কুমারিত্ব পরীক্ষা কিভাবে?

Virginity-স্বতীত্ব কুমারীত্ব: (কুমারিত্ব) মানে কেউ এখনো যৌন মিলন করেনি। যৌন মিলন ছাড়াও আরও অনেক ধরনের যৌনতা রয়েছে। যেমন Sex often starts by caressing, cuddling, kissing and licking each other, and stimulating each other’s erogenous zones (foreplay). When both partners are aroused, they may want to have sexual intercourse. ছেলে (পুরুষ) এবং মেয়ে (মহিলা) উভয়ই কুমার-কুমারী হতে পারে।

কোন নারীর সতীচ্ছদ পর্দা অক্ষুণ্ণ থাকাকে সতীত্ব বলে অর্থাৎ যে নারী কখনো কোন পুরুষের সাথে সঙ্গম করে নি তাকে স্বতী, কুমারী বা Virgin নারী বলে। সতীচ্ছদ পর্দা না থাকলে নারীদের সতিত্ব নষ্ট হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। নারীর জন্য সতীত্ব হল বিবাহপূর্ব পবিত্রতা, সম্মান ও মর্যাদার একটি স্মারক। 

Hymen-সতীচ্ছদ পর্দা : একটি ঝিল্লি যা আংশিকভাবে যোনিপথের খোলার অংশ বন্ধ করে দেয় এবং যার উপস্থিতি ঐতিহ্যগতভাবে কুমারীত্বের চিহ্ন হিসাবে নেওয়া হয়। তবে আপনি খুব সহজেই দেখতে বা অনুভব করতে পারবেন না যে কেউ একজন কুমারী কি না। এমনকি একজন ডাক্তারও যৌন মিলনের সময় এটা বুঝতে পারবে না।

যোনির ভিতরে Hymen এর বিস্তারিত।
Hymen হল যোনি প্রবেশদ্বারে টিস্যুর একটি নরম/নমনীয় (Rim) বলয় যা যোনির প্রবেশপথের ঠিক পিছনে অবস্থিত। এতে যোনি বন্ধ হয় না। যোনির চারপাশে আংশিকভাবে বা কখনো কখনো সম্পন্নরূপে বাধা সৃষ্টি করে। এই পর্দার উপস্থিতির দ্বারা কোনো মেয়ের কুমারীত্ব বা সতীত্ব থাকার ব্যপারে নিশ্চিত হওয়া যায়, একারণে এই পর্দার নাম হয়েছে সতীচ্ছদ।
কুমারিত্ব পরীক্ষা বা ভার্জিনিটি টেস্টিং এর সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য কি?
Hymen এর প্রকারভেদ: প্রতিটি হাইমেন আকৃতি এবং আকারে আলাদা:
  • ত্বক পাতলা বা পুরু হতে পারে।
  • হাইমেন মসৃণ, অমসৃণ বা কুঁচকে যেতে পারে।
  • এটা আঁটোসাঁটো বা চওড়া হতে পারে।
  • হাইমেন খুব কমই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকে। যদি এটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকে, তবে প্রথম মাসিকের আগে এটি একজন ডাক্তার দ্বারা খুলতে হবে।
  • খুব কমই, হাইমেন সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত। অর্থাৎ কোন মহিলার hymen নেই এমন ঘটনা খুব কম আবার hymen দ্বারা যোনিপথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়েছে এমন ঘটনাও খুব কম। তবে স্বাভাবিক হলো hymen যোনি ছিদ্রের চতুর্দিকে এমন ভাবে অবস্থান করে আবার যোনি মুখ খোলাও থাকে।

Sexual intercourse for the first time-প্রথমবার যৌন মিলন:

যখন একজন মহিলা প্রথমবার যৌন মিলন করে তখন হাইমেন প্রসারিত বা ছিঁড়ে যেতে পারে। কিন্তু এটা সবসময় হয় না। হাইমেন ইতিমধ্যেই (সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, বিভিন্ন ট্রেনিং করা, দৌড় খেলা, ইত্যাদির কারণে) প্রসারিত বা ছিঁড়ে যেতে পারে, এমনকি যদি মহিলাটি এখনও কুমারী থাকে। হাইমেন না থাকলেই যে একজন মহিলা (অন্যের সাথে সহবাস-যৌন লীলা-খেলা করে) কুমারীত্ব হারিয়েছে তা প্রমাণ হয় না। 

হাইমেন প্রসারিত বা ছিঁড়ে গেলে, এটি সামান্য আঘাত করতে পারে। যদিও বেশিরভাগ মহিলা এটি লক্ষ্য করেন না। কিছু মহিলা হাইমেন অশ্রুতে কয়েক ফোঁটা রক্ত হারায়। যাইহোক, বেশীরভাগ মহিলারা একেবারেই রক্ত হারান না।

প্রথমবার যৌন মিলনের সময় একজন মহিলার সবসময় রক্তপাত হয় না। অধিকাংশ নারী তা করেন না। হাইমেন খুব টাইট হলে একজন মহিলার একটু রক্তপাত হতে পারে। হাইমেন তৈরি বা পুনরুদ্ধার করার অপারেশনগুলি প্রায়শই কোনও পার্থক্য করে না।

একজন মহিলা মাসিকের সময় Tampon ব্যবহার করে তার কুমারীত্ব হারাতে পারে না। ট্যাম্পন তুলো দিয়ে তৈরি একটি ছোট লাঠির মত পট্টি, যার সাথে একটি দড়ি সংযুক্ত।

চিত্র: Tampon.
একজন মহিলা তার মাসিকের সময় তার যোনিতে একটি ট্যাম্পন রাখতে পারেন। একটি ট্যাম্পন রক্ত শোষণ করে। এটি নিয়মিত প্রতিস্থাপন করতে হবে।
চিত্র: sanitary towels.
আপনি যদি আরও সুরক্ষিত বোধ করতে চান তবে আপনি Tampon এর পরিবর্তে sanitary towels ব্যবহার করতে পারেন।

স্যানিটারি তোয়ালে ছোট প্যাড যা মহিলারা তাদের মাসিকের সময় তাদের আন্ডারপ্যান্টে পরেন। স্যানিটারি তোয়ালে রক্ত শোষণ করে। এটি জায়গায় রাখার জন্য নীচের দিকে একটি আঠালো প্যাচ রয়েছে।

সতীচ্ছেদ পর্দা নারীর কুমারিত্বের প্রতীক নয়।

প্রথম যৌন মিলনে নারীদের রক্তপাত হওয়া কি বাধ্যতামূলক?

না! প্রথমবার যৌন মিলনে নারীদের রক্তপাত হতেও পারে আবার নাও পারে। আবার রক্তপাত না হলেও যে, স্ত্রী কুমারীত্ব হীনতা বলে প্রমাণিত হবে না। তবে রক্তপাত হলেও ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু Inefficient husband এর কারণে Sexual violence করে যোনিপথ থেকে আঘাতের মাধ্যমে অনবরত রক্ত ঝরলে এটি অত্যন্ত বিব্রতকর হবে এবং অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রথমবার যৌন মিলনে সতীচ্ছদ পর্দা কি ছিড়ে যেতে পারে?

জি! প্রথমবার যৌনমিলনে সতীচ্ছদ পর্দা ছিড়ে যেতে পারে। আর এ কারণে সামান্য রক্ত‌ও ঝরতে পারে, আর সেই রক্ত চাক্ষুষ বা সাদা জাতীয় কাপড়ের মাধ্যমে দৃশ্যমান হতে পারে।

যৌন মিলন ছাড়াও কি সতীচ্ছদ পর্দা ছিড়ে যেতে পারে?

জি! কোন পুরুষের সাথে মিলিত না হয়েও একজন পূর্ণ সতী নারীর সতিচ্ছদ পর্দা নষ্ট হতে পারে। যৌন মিলন ছাড়াও বিভিন্ন কারণে সতীচ্ছদ পর্দা ছিড়ে যেতে পারে, যেমন; সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ভারি ব্যায়াম, বিভিন্ন ট্রেনিং করা, হাই ও লং জাম্প খেলা, দৌড় খেলা, গাছে উঠা ইত্যাদি কারণে দুই উরুর পেশীতে অসমান চাপ পরলে সতীচ্ছদ পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে।চিকিৎসার কারণে গোপনাঙ্গে কোন ঔষধ প্রবেশ করালেও সতিচ্ছদ পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে।

যৌন মিলন করার পরেও কি সতীচ্ছদ পর্দা না ছিড়ে অক্ষুন্ন থাকতে পারে?

জি! একজন নারী বিয়ের আগে যদি কোন কারণে সতীচ্ছদ পর্দা না ছিড়ে থাকে, তবে বিয়ের পরেও যৌনমিলনে সেই সতীচ্ছদ পর্দা নাও ছিঁড়তে পারে, কারণ সতীচ্ছদ পর্দা একটি ইলাস্টিকের মত, যা কিনা ছোট-বড় হতে পারে, যেমন সন্তান হওয়ার সময় এটি বড় হয়ে যায়। আবার যৌন মিলনের আগে ঠিকমতো ফোর প্লে করতে পারলে যোনিপথ ভিজে যায়, এবং অত্যন্ত বেশি উত্তেজনা বাড়ার কারণে এটি বড় হয়ে যেতে পারে, যার কারণে এটা নাও ছিঁড়তে পারে।

Virginity Test:

কুমারীত্ব পরীক্ষা হলো কোন মেয়ে বা মহিলা কুমারী কিনা তা নির্ধারণ করার চর্চা বা প্রক্রিয়া; অর্থাৎ, সে কখনই যৌনমিলনে লিপ্ত হয় নি, অথবা তার শিকার হয় নি, তা নির্ধারণ করা। পরীক্ষায় সাধারণত একটি অক্ষত যোনিচ্ছদের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে, ত্রুটিপূর্ণ অনুমানের উপর ভিত্তি করে যে, এটি শুধুমাত্র যৌন মিলনের ফলেই ছিঁড়ে যেতে পারে। 

কুমারীত্ব পরীক্ষা ব্যাপকভাবে বিতর্কিত বলে বিবেচিত, কেননা, ১) পরীক্ষিত মেয়ে বা মহিলার উপর এর বিরুপ প্রভাবের কারণে ২) একে অনৈতিক হিসেবে দেখা হয়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, জাতিসংঘের নারী সংগঠন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে যে, কুমারীত্ব পরীক্ষা প্রথা বন্ধ হওয়া উচিত কারণ এটি একটি বেদনাদায়ক, অপমানজনক এবং আঘাত প্রদানকারী একটি অভ্যাস, যা নারীর প্রতি সহিংসতা সৃষ্টি করে। 

তবে সন্দেহজনক ধর্ষণ বা শিশু যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে, সতীচ্ছেদের একটি বিস্তারিত পরীক্ষা করা যেতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র কুমারিত্ব ঠিক আছে কিনা এই পরীক্ষার জন্য এটা করা মোটেই উচিত নয়, কেননা সতীচ্ছেদের অবস্থা প্রায়শই অনির্দিষ্ট।

দুই আঙুলের পরীক্ষা:

i) কুমারীত্ব পরীক্ষার প্রক্রিয়া অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়। যেসব এলাকায় মেডিক্যাল ডাক্তার পাওয়া যায়, সেখানে প্রায়শই ডাক্তারের কার্যালয়ে পরীক্ষা করা হয়। যেসব দেশে ডাক্তার পাওয়া যায় না, সেখানে পরীক্ষকরা প্রায়ই বয়স্ক মহিলা হন, অথবা যাকে বিশ্বাস করা যেতে পারে সতীচ্ছেদ খোঁজার জন্য। সাধারণত এমন পরীক্ষা করা হয় আফ্রিকান উপজাতিদের মধ্যে।

কুমারীত্ব পরীক্ষার আরেকটি ধরন হল আঙ্গুল দিয়ে যোনির পেশীর শিথিলতার পরীক্ষা করা ("দুই আঙ্গুলের পরীক্ষা")। একজন ডাক্তার মহিলার যোনিতে আঙুল প্রবেশ করিয়ে যোনি শিথিলতার মাত্রা পরীক্ষা করেন, যা তাকে "যৌন মিলনে অভ্যস্ত" কিনা তা নির্ধারণে সহায়তা করে। যাইহোক, এই মানদণ্ডের উপযোগিতা, চিকিৎসক এবং কুমারীত্ব পরীক্ষার বিরোধীদের দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কারণ যোনি শিথিলতা এবং সতীচ্ছেদের অনুপস্থিতি উভয়ই অন্যান্য কারণেও হতে পারে এবং "দুই আঙুলের পরীক্ষা" বিষয়গত পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে করা হয়ে থাকে।

নিষিদ্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতে ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদের উপর পূর্ববর্তী পদ্ধতিতে যৌন কার্যকলাপের পরীক্ষা করা হত। 

সাব সাহারান আফ্রিকার বান্টু জনগনের মধ্যে, কুমারীত্ব পরীক্ষার বা এমনকি লেবিয়া মেজরার সার্জিক্যাল সেলাই (যাকে বলা হয় ইনফিবুলেশন ) প্রচলিত রয়েছে। প্রথাগতভাবে, (সুদানের) কেনুজি মেয়েদের বয়ঃসন্ধির আগেই বিয়ে দেয়া হয়, তাদের প্রাপ্তবয়স্ক স্বামীরাই হয় তাদের কুমারীত্বের পরিদর্শক।

ii) দুই পা ফাঁক করে বসে আঙুলের সাহায্যে ভগাঙ্কুরের ভাজ দুটিকে দুই দিকে সরিয়ে ধরুন এবং ছোট একটি আয়না যোনির সামনে রেখে লক্ষ্য করুন রিং আকারের পাতলা একটি পর্দা দেখতে পান কিনা? যদি দেখা যায়, তবে বুঝবেন আপনার সতীচ্ছদ এখনো ঠিক আছে।

iii) সতীচ্ছদ ছিড়ে যাবার সময় (সাধারণত) রক্তপাত হয় এবং সামান্য ব্যথা-যন্ত্রণা অনুভূত হয় এবং তা থেকেই জানতে পারবেন আপনার সতীচ্ছদ কবে (যৌন মিলন বা অন্য কোন কারণে) ফেটেছিল? নাকি এখন প্রথম যৌন মিলনে ফেটে যাচ্ছে...?

Summary:

!) প্রথম যৌন মিলনে স্বামী বাসর রাতে স্ত্রীর নিচে সাদা কাপড় বিছিয়ে দিল এবং যৌন মিলনের পরে কোনভাবে হয়তো সে রক্তের দাগ দেখতে পেল না, যার কারনে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে বিভিন্ন (খারাপ আচরণ, সংসারে অশান্তি, শেষ পর্যন্ত তালাক ইত্যাদি) অনৈতিক আচরণ শুরু (?) করলো।

এখানে আমরা স্বামীদের এই ধরনের অনৈতিক আচরণের প্রতিবাদ করছি।

!!) যেহেতু যৌন মিলন ছাড়াও অন্যান্য (খেলাধুলা, দৌড়, সাঁতার ইত্যাদির) কারণে সতীচ্ছদ পর্দা ছিড়ে যেতে পারে, সেহেতু বাসর রাতে প্রথম যৌন মিলনে সতীচ্ছদ পর্দা ছিড়ে যাওয়ার পরীক্ষা স্ত্রী উড়িয়ে দিতে পারে। ঠিক এই সুযোগে স্ত্রী বিয়ের আগে বিভিন্ন (প্রেম করে সতীত্ব হারানো, পতিতাবৃত্তি ইত্যাদি) অনৈতিক কাজ শুরু (?) করল।

এখানে আমরা স্ত্রীদের এই ধরনের অনৈতিক আচরণের প্রতিবাদ করছি।

আমাদের সমাজের ছেলেমেয়ে যৌবনপ্রাপ্তি হওয়ার পরেও নির্দিষ্ট সময় না আসা পর্যন্ত তারা বিয়ে করতে পারে না, অনেক সময় নির্দিষ্ট সময় পার হলেও তারা বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক চাপের কারণে বিয়ে করতে পারে না, কিন্তু সমাজের এই অবক্ষয়ের কারণে যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার পরই তারা নির্দিষ্ট সময় আসার আগেই অথবা নির্দিষ্ট সময়ের পরে তাদের নিজেদের যৌবনকে স-গৌরবে বিলিয়ে দিচ্ছে। অথচ ইসলামের নিয়ম মেনে বিয়েটাকে সহজ করে দিলে ছেলে-মেয়েদের তাদের কুমারীত্ব হারাতে হতো না।

বিয়ের আগে এবং পরে, মেয়ে তার Virginity পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হোক বা না হোক, আমরা দৃঢ়ভাবে চাই বৈধ (বিয়ে) সম্পর্কের আগে ছেলে এবং মেয়ে কেহই যেন তাদের সতীত্ব কুমারীত্ব বা Virginity নষ্ট না করে।

তথ্যসূত্র:

  • zanzu.de/en এটি একটি জার্মানভিত্তিক পারিবারিক এবং যৌন বিষয়ক সাইট, যেখানে যৌনতার স্বাভাবিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
  • স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, লাইয়াভাস পার্লেস, ডয়চে ভেলে।
  • Dr Tasnim Jara, Jonior Speciality Registrar (NHs England), Clinical Supervisor at University of Cambridge.
  • উইকিপিডিয়া
  • কত কিছু অজানা।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.