First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

অতিরিক্ত ভিটামিন E আমাদের শরীরে যেসব ক্ষতি করে

ভিটামিন ই এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

শরীরে ভিটামিন-ই এর যদিও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তবু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে কিছু অবাঞ্ছিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। অল্প সময়ের জন্য অনুমোদিত মাত্রায় ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে সাধারণত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। যদি ভিটামিন-ই গ্রহণের ফলে আপনার কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে অতি শিগগিরই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

দৈনিক ৪০০ ইউনিটের বেশি এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে নিম্নলিখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটে-

১) ডায়রিয়া,

২) মাথা ব্যথা, মাথাঘোরা,

৩) বমিভাব,

৪) ক্লান্তি,

৫) অস্পষ্ট দৃষ্টি বা ঝাপসা দেখা,

৬) মহিলাদের ডিম্বাশয়ে সমস্যা,

৭) গায়ে লাল লাল ফুসকুড়ি

৮) পেট কামড়ানো,

৯) অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা দুর্বলতা।

সতর্কতা:

ভিটামিন-ই গ্রহণের আগে যে কথা মনে রাখতে হবে:

আপনি যদি প্রেসক্রিপশন ছাড়া ভিটামিন-ই গ্রহণ করেন, তাহলে লেবেলের লেখাগুলো ভালো করে পড়ে নেবেন এবং কোনো ধরনের সতর্কতার উল্লেখ থাকলে সেটি মেনে চলবেন। কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন-ই গ্রহণে সতর্ক হতে হবে-

অ্যালার্জি : ভিটামিন-ই গ্রহণের পর কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় কিংবা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসককে জানাতে হবে।

গর্ভাবস্থা : এটি গুরুত্বপূর্ণ, যখন আপনি গর্ভবতী হচ্ছেন তখন পর্যাপ্ত ভিটামিন গ্রহণ করছেন। তবে আপনাকে দেখতে হবে গর্ভাবস্থার পুরো সময়টা আপনি সঠিক মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করছেন কি না, কেননা ভ্রুণের বিকাশ এবং বৃদ্ধি নির্ভর করে মায়ের সঠিক পুষ্টি গ্রহণের ওপর। গর্ভাবস্থায় বেশি মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করলে ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে, তাই বেশি মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করবেন না।

বুকের দুধ : শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য স্তনদানরত মহিলার সঠিকমাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে থাকেন তা হলে মাঝে মধ্যে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। এ ক্ষেত্রে শিশুকে অন্য উপায়ে ভিটামিন দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আপনি যদি বুকের দুধ খাওয়ানোকালে অতিরিক্ত মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করেন তাহলে আপনার নিজের জন্য এবং শিশুর জন্য সেটি ক্ষতিকর হবে।

শিশু : দৈনন্দিন সুপারিশকৃত মাত্রা গ্রহণের ফলে শিশুর অসুবিধার কথা জানা যায়নি। শিশু বুকের দুধ খেলে তাকে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন দেয়ার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মগ্রহণকারী শিশুর শরীরে ভিটামিন-ই এর মাত্রা কম থাকে। আপনার চিকিৎসক এ ব্যাপারে ভিটামিন-ই এর মাত্রা নির্ধারণ করে দেবেন।

প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ : দৈনন্দিন সুপারিশকৃত মাত্রা গ্রহণের ফলে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধার কথা জানা যায়নি।

অন্য ওষুধ গ্রহণ : আপনি যদি ভিটামিন-ই গ্রহণের সময় অন্য কোনো ওষুধ খেতে থাকেন তা হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাবেন। কারণ অনেক ক্ষেত্রে দুটি ওষুধের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসক ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করতে পারেন কিংবা অন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে বলতে পারেন।

অন্যান্য চিকিৎসাগত সমস্যা : অন্য কোনো চিকিৎসাগত সমস্যা উপস্থিত থাকলে ভিটামিন-ই গ্রহণের ফলে অবস্থা খারাপ হতে পারে। আপনার অন্য কোনো চিকিৎসাগত সমস্যা আছে কি না সেটি চিকিৎসককে অবশ্যই জানাবেন, বিশেষ করে আপনার যদি রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকে।

শল্য চিকিত্সা মেরামত: অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির পরপরই ভিটামিন ই গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

ডায়াবেটিসের রোগী: ডায়াবেটিস রোগীদের তাদের ডায়েটে ভিটামিন ই এর পরিমাণকে সীমাবদ্ধ করা উচিত কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ভিটামিন K: ভিটামিন কে-র ঘাটতি যাদের আছে তাদের ভিটামিন ই খাওয়ার আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

ক্যান্সার: এটি পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট ক্যান্সারের অবস্থা বাড়াতে বা খারাপ করতে পারে।

স্টোক: যাদের একবার,দু'বার স্ট্রোক হয়ে গেছে তাদের এড়িয়ে চলা উচিত।

তথ্যসূত্র:

  • ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল, যুগান্তর।
  • যমুনা টিভি।
  • হেলথ ডাইজেস্ট> এনটিভি।
  • বোল্ডস্কাই।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.