First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

জরায়ু ক্যান্সার বুঝার উপায় ও এর সঠিক চিকিৎসা কী?

জরায়ু ক্যান্সারকে বলা হয় 'নীরবঘাতক'। কারণ এই অসুখে আক্রান্ত হলেও অনেক নারী এর লক্ষণ বুঝতে পারেন না। আবার ভিন্ন লক্ষণ দেখা দিলেও অনেক সময় গুরুত্ব দেন না।

নারীরা জরায়ুমুখ ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পরেই জরায়ুমুখ ক্যান্সারের স্থান।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসকে (এইচপিভি) জরায়ুমুখ ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১০০টিরও বেশি প্রজাতির এইচপিভি আছে।

এর মধ্যে দুই ধরনের হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের পরপরই কিন্তু ক্যান্সার হয় না।

গবেষক ও চিকিৎসকরা বলছেন, জীবাণু প্রবেশের পর ১৫ থেকে ২০ বছরও সময় লাগে জরায়ুমুখের ক্যান্সার হতে। তার মানে হলো এটি নির্ণয়ে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

অন্য ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় জরায়ু মুখের ক্যান্সার কিন্তু খুব সহজে নির্ণয় করা যায়। তবে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের মুল সমস্যা হল এটি শেষ পর্যায়ে গেলেই শুধুমাত্র ব্যথা দেখা দেয়।

আর এই ক্যান্সারের লক্ষণগুলোকে অনেকেই পিরিয়ডের মেয়েলী সমস্যা বলে ভুল করে থাকেন। এমন ভুল যেন না হয়, সেজন্য লক্ষণগুলো মনে রাখা জরুরি। জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকি, লক্ষণ ও চিকিৎসার বিষয়ে জানতে পারবেন আমাদের এই ভিডিওতে..

জরায়ুমুখের ক্যান্সার এর প্রতিবেদন, বিবিসি বাংলা।

গ্রামের দারিদ্র ও অপরিচ্ছন্নরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। জরায়ু ক্যান্সারের বিভিন্ন দিক দিয়ে সাক্ষাতকার দিয়েছেন ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন একুশে টিভি অনলাইন প্রতিবেদক তবিবুর রহমান।

একুশে টিভি অনলাইন: জরায়ু ক্যান্সার কি?

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ : সাধারণত জরায়ুর নিচের সরু অংশ যা জরায়ুর মুখ বা সারভিক্স বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। যোনিপথের ওপরের অংশ থেকে শুরু করে জরায়ুর মাঝামাঝি পর্যন্ত এই অংশটি বিস্তৃত। জরায়ু-মুখের ক্যান্সার বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নারীদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ। বাংলাদেশের ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের শতকরা ৩০ ভাগই হচ্ছেন জরায়ু মুখের ক্যান্সারের শিকার।

একুশে টিভি অনলাইন: কি কি কারণে জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে?

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ : বিভিন্ন কারণে জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভাইরাসের কারণ। ভাইরাসের নাম হলো এইচ ডব্লিউ পি বা হিউমেন পেপুলুমা ভাইরাস। এই ভাইরাসটা সেক্সুয়াল রুটে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। এই ভাইরাস আক্রান্ত হলেও সব কিন্তু ক্যান্সার না। অনেক ক্ষেত্রে এই ভাইরাস চিকিৎসা ছাড়া ভাল হয়ে যায়। তবে এমন ভাইরাস দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। না হলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এছাড়া অন্যান্য কারণেও জারায়ু ক্যান্সার হতে পারে। যেমন:

# ২টি বয়সে বেশি দেখা যায়৷ ৩৫ বছরে এবং ৫০-৫৫ বছরে৷

# অল্প বয়সে বিয়ে হলে বা যৌন মিলন করে থাকলে।

# ২০ বছরের নিচে গর্ভধারণ ও মা হওয়া।

# অধিক ও ঘনঘন সন্তান প্রসব।

# বহুগামিতা। যেসব মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়, যেসব মেয়েরা অল্প বয়সে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে, যেসব মেয়েদের খুব ঘন ঘন প্রেগন্যান্সি বা ডেলিভারি হয়, যেসব মেয়েদের সিগারেট খাওয়ার হিস্ট্রি থাকে, যেসব মেয়েরা বহুগামী কিংবা স্বামীরা অনেকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে- এমন ক্ষেত্রে এইচপিভি ভাইরাসে নারীদর বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

# স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং জননাঙ্গের অপরিচ্ছন্ন অবস্থা। অপুষ্টি নিয়ে যদি কেউ জন্মগ্রহণ করে। বিভিন্ন রোগ জীবাণু দ্বারা জরায়ু বার বার আক্রান্ত হলেও জরায়ু ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকে, যেমন - হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এবং হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।

একুশে টিভি অনলাইন: জরায়ুতে ক্যান্সার আক্রান্ত হলে কি কি লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ: প্রাথমিক পর্যায়ে রোগের লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে নিচের লক্ষণগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়-

# অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়া। ঋতু সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১ বছর পরেও রক্তস্রাব দেখা যাওয়া।

# যৌনসঙ্গমের পর রক্তস্রাব হওয়া। যোনিপথে বাদামি অথবা রক্তমিশ্রিত স্রাবের আধিক্য দেখা দেওয়া।

# অনেক সময় স্বামী স্ত্রী যৌনসঙ্গমের কারণে ব্যাথা হয়। অনেক সময় দেখা যা কারণ ছাড়া ব্যাথা দেখা দেয়।

# সাদা দুর্গন্ধযুক্ত যোনিস্রাব হওয়া। একদিন বা একমাসে হঠাৎ করে জরায়ু-মুখে ক্যান্সার হয় না। জরায়ু মুখ আবরণীর কোষগুলোতে বিভিন্ন কারণে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে ক্যান্সারের রূপ নেয় এবং এই পরিবর্তন হতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে। আমাদের দেশে জরায়ু-মুখ নিয়মিত পরীক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি। এর ফলে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ ভাগ রোগীরা আসেন শেষ পর্যায়ে এবং ইতিমধ্যে ক্যান্সার ছড়িয়ে যায় এবং অপারেশন করা আর সম্ভব হয় না।

# আমাদের (ডাক্তার) কাছে যেসব রোগীরা আসেন তাদের অভিজ্ঞতায় যেটা বেশী দেখি তা হলো, একটা মেয়ের প্রচণ্ড সাদা স্রাবের সমস্যা হয়। এই স্রাবটা খুবই দুর্গন্ধযুক্ত হয়। পানির মতো হয়ে এই স্রাব নি:সরিত হয়। অনেক সময় প্যাড বা কাপড় পড়তে হয় এই সাদা স্রাব রোধ করার জন্য।

একুশে টিভি অনলাইন: এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয় কি?

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ: রোগের চিকিৎসার পরিবর্তে প্রতিরোধ অর্থাৎ রোগটা হতে না দেওয়া হলো বুদ্ধিমানের কাজ। যদিও সকল রোগের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সম্ভব হয় না, তবে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। কারণ ডাক্তার অথবা স্বাস্থ্যকর্মী সহজেই জরায়ু-মুখ দেখতে এবং পরীক্ষা করতে পারেন। ক্যান্সারপূর্ব অবস্থাধরা পড়লে সামান্য চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে জরায়ু ফেলে দেবার প্রয়োজন হয় না এবং চিকিৎসার পরও সন্তান ধারণ সম্ভব। ভিজুয়াল ইন্সপেকশন অফ ছারভিক্স উইথ এছিটিক এসিড (VIA) এই পদ্ধতির জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব –ক্যান্সার হওয়ার আগে খালি চোখে জরায়ু মুখে কোনরকম ক্ষত বা চাকা দেখা যাবে না৷ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে পদ্ধতিতে জরায়ু মুখের ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা শনাক্ত করা হয় তাকে ভায়া বলে৷

পরীক্ষা-নিরীক্ষা:

এই রোগের জন্য এখন সরকারিভাবে একটা টেস্ট আছে। একে বলা হয় `ভায়া`। এটা সব সরকারি হাসপাতালগুলোতে আছে। এই `ভায়া` টেস্টটা বিনামূল্যে করা হয়। ভায়া টেস্টের মাধ্যমে দুটো জিনিস নির্ণয় করা যায়। একটা হচ্ছে জরায়ুর মুখে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা আছে নাকি নেই।

এজন্য ভায়া টেস্টের পর দু’ধরণের কার্ড দেয়। একটা হচ্ছে লাল কার্ড। অন্যটি হচ্ছে নীল কার্ড। নীল কার্ড যাদের দেওয়া হয়, তাদের বলা হয়, আপনার জরায়ুতে এখন পর্যন্ত ক্যানসারের কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত নেই। আপনি তিন বছর পর আবার পরীক্ষা করতে আসবেন। আর যাদের লাল কার্ড দেওয়া হয় তাদের বলা হয় আপনার জরায়ুতে ক্যান্সারের সম্ভাবনা আছে। আপনি নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে `কল্পোস্কপি` বা `বায়োপসি` করান।

তখন তারা আমাদের কাছে আসে। আমরা তাদের জরায়ুর মুখ থেকে অল্প একটু টিস্যু নিয়ে বায়োপসি করি। বায়োপসি রিপোর্টে যদি ক্যান্সার ধরা পড়ে তখন তার চিকিৎসা করা হয়। জরায়ুর মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধের কিছু ভালো উপায় আছে। সেটা হচ্ছে ভ্যাকসিন।

একুশে টিভি অনলাইন: এ রোগের চিকিৎসা কি?

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ: দ্রুত রোগ ধরা পড়লে অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু কেটে বাদ দেওয়া যেতে পারে৷ কিন্তু দেরি হয়ে গেলে রোগ ছড়িয়ে পরবে৷ কেমোথেরাপি এবং রেডিও থেরাপি দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া যায়। যদি কেউ আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে আসে তাহলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিলে শতাভাগ মুক্তি লাভ করা সম্ভব।

আমাদের দেশে এখন দু`ধরনের ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে। একটা হচ্ছে সার্ভারিস্ক ভ্যাকসিন, অন্যটা হচ্ছে গার্ডাসিল ভ্যাকসিন। তবে এই ভ্যাকসিনগুলো এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। এগুলো বিভিন্ন ভ্যাকসিন সেন্টারে টাকার বিনিময়ে দিচ্ছে।

এতে তিন- চার হাজার টাকা একজন রোগীর খরচ হয়। প্রতিটা ভ্যাকসিন তিন ডোজ করে দেওয়া হয়। এই ভ্যাকসিন নিলে নারী মোটামুটি একটা প্রোটেকশানে থাকে যে তার জরায়ুমুখে ক্যান্সার হবে না। তবে আমি যে এইচপিভি ভাইরাসের কথা বললাম তার অনেক টাইপ আছে। হাজারটা টাইপ আছে।

আমাদের যে ভ্যাকসিন তা সর্বোচ্চ চারটা টাইপের বিরুদ্ধে কাজ করে। বাকি যে টাইপগুলো আছে তার বিরুদ্ধে কিন্তু কাজ করে না। কাজেই কারো যদি এইচপিভি ভাইরাসের চারটা ধরণ ছাড়া অন্য কোন ধরণ দিয়ে আক্রমণ করে তাহলে কিন্তু ভ্যাকসিন কাজ করে না। তার মানে ভ্যাকসিন শতভাগ প্রতিরোধকারী তা কিন্তু নয়।

অর্থাৎ ভ্যাকসিন নিলে তার আর কখনো জরায়ুমুখের ক্যান্সার হবে না এমন ধারণা ঠিক নয়। যেসব ক্ষেত্রে স্বামী- স্ত্রী বা নারী পুরুষের একাধিক যৌনসঙ্গী আছে বা খুব অল্প বয়সে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে তাদের আমরা কনডম ব্যবহার করতে বলি। একমাত্র এই পদ্ধতির মাধ্যমেই এই ভাইরাসটাকে প্রতিরোধ করা যায়।

জরায়ুর মুখের ক্যান্সারের আগ মুহুর্তে যদি ক্যান্সার ধরা পড়ে তাহলে লোকাল কিছু থেরাপি দিয়ে যেটাকে আমরা বলি `হট থেরাপি`।

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই থেরাপি দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। অর্থাৎ ওই জায়গাটাকে পুড়িয়ে জীবানুটাকে ধ্বংস করে দেওয়া। এটাকে `ক্রায়ো` বলে।

এছাড়া যদি ক্যান্সার হয়েই যায় সেক্ষেত্রে পুরো জরায়ুটাকে ফেলে দিতে হবে। এটা বিশেষ ধরনের জরায়ুর অপারেশন যার ফলে জরায়ু ও আশপাশের সম্ভাব্য এলাকা ফেলে দিতে হয়। শুধু অপারেশন করলেই সমাধান হয় না। পরবর্তীতে রেডিওথেরাপী দিতে হয়।

ফুল কোর্স রেডিও থেরাপি দেওয়ার পরেও কিন্তু সারাজীবন ফলোআপে থাকতে হয়। সারা জীবন কিছু পরীক্ষা নীরীক্ষা করে ছয় মাস - এক বছর পরপর ডাক্তারের কাছে আসতে হয়। একবার যদি জরায়ুর ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কিন্তু সারা শরীরে এমনকী ব্রেনেও পরবর্তী প্রভাব রেখে যেতে পারে।

জরায়ুমুখের ক্যানসারটা খুব কমন ক্যান্সার। যেসব কারণে মেয়েরা এই ক্যানসারে আক্রান্ত হয় তা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারলে এই ক্যান্সার অনেকখানি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমি বলব, আপনারা ভ্যাকসিনটা নিয়ে ফেলুন। ভ্যাকসিন শতভাগ না হলে ৭০-৮০% কাভারেজ দেয়।

যেসব মায়েদের বিয়ে হয়েছে তিন বছর, এমন মায়েদের বলি, আপনারা অন্তত প্রতি তিন বছর পরপর ভায়া টেস্ট করুন। জরায়ুর মুখ সুরক্ষিত রাখুন।

তথ্যসূত্র:
  • ডা. মো. হাবিবুল্লাহ: একুশে টিভি।
  • ডাক্তার কাজী ফয়েজা আক্তার, কনসালটেন্ট, ইমপালস হাসপাতাল, একুশে টিভি।
  • বিবিসি বাংলা।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.