First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

Vitamin বা খাদ্যপ্রাণ কাকে বলে এবং এগুলো কি কি?

ভিটামিন এক প্রকার জৈব যৌগ যা বিভিন্ন খাদ্যে অল্প পরিমাণে থাকে এবং জীবের পুষ্টি সাধনে ভূমিকা রাখে। পৃথিবীতে হরেক রকম খাদ্য আছে, বিজ্ঞানের সূচনালগ্ন থেকে সেগুলোকে নিয়ে বিজ্ঞান গবেষণা করছে, সেই সুবাদে আজতক পর্যন্ত অনেকগুলো ভিটামিন আবিষ্কার হয়েছে সেগুলির নাম নিচে দেয়া হল;

বিভিন্ন ভিটামিনের কার্যকারিতা একটি গ্রাফ এর মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:
ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: যে জৈব খাদ্য উপাদান সাধারণ খাদ্যে অতি অল্প পরিমাণে থেকে দেহের স্বাভাবিক পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে,তাকে ভিটামিন বলে। দেহে ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণের অভাবে বিভিন্ন রোগ বা সমস্যার প্রাদুর্ভাব হয়। যেমন ভিটামিন A'র অভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।
ভিটামিন এক রকমের অরগানিক যৌগ, যার স্বল্প পরিমাণই মানবদেহের সাধারণ মেটাবলিজম অব্যাহত রাখে৷ দৈনন্দিন খাদ্যদ্রব্য ও সূর্যরশ্মি থেকে আমরা এই যৌগ পাই৷ জৈব রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ভিটামিনকে সাধারণত ২ ভাগে ভাগ করা হয়।
১-ফ্যাটে (চর্বিতে) দ্রবণীয়/স্নেহ দ্রব্য ভিটামিন: 
এই ভিটামিন মানবদেহের চর্বি/ফ্যাট টিস্যুর মধ্যে বা লিভারেও থাকতে পারে৷ ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে হলো ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন৷ এই ভিটামিনগুলির ঘাটতি শরীরে কম হয়।
২-পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
এই ভিটামিন মানবদেহে জমা থাকে না৷ এগুলি প্রস্রাবের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত হয়ে যায়৷ যেমন- ভিটামিন বি, সি, এবং পি৷ এই ভিটামিনের ঘাটতি শরীরে বেশি দেখা দেয়। যার কারণে এই ভিটামিন গুলির অর্থাৎ ভিটামিন বি, এবং ভিটামিন সি, বেশি করে গ্রহণ করতে হয়।

ভিটামিন কে প্রধানত ৬ ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ- 
Vitamin-A, Vitamin-B, Vitamin-C, Vitamin-D, Vitamin-E, Vitamin-K.

ভিটামিন বি আবার ৮ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন,
Vitamin-b1_b2_b3_b5_b6_b7_b9_ b12,

নতুন একটি গবেষণায় ভিটামিন-ডি'র আরো এক প্রকার আবিষ্কৃত হয়েছে, যেটাকে সংক্ষেপে ভিটামিন d3 বলে।

ভিটামিন এ'র আরও একটি প্রকার রয়েছে a2 যা মাছের যকৃত থেকে পাওয়া যায়। এবং ভিটামিন b7 এবং b9 এর অন্যনাম হচ্ছে, h & m.
ভিটামিন কে এর আরও দুটি প্রকার রয়েছে, k1 যা সবুজ শাক-সব্জিতে পাওয়া যায়। এবং
k2 পনির, সোয়াবিন, মাছের দেহে এই ভিটামিন পাওয়া যায়।
এবং আরো এক প্রকার ভিটামিন রয়েছে যার নাম ভিটামিন P-এর রাসায়নিক নাম হল: বায়োফ্ল্যাভোনয়েড (bioflavonoid)। এটি লেবু জাতীয় সকল ফলেই পাওয়া যায়।

উদাহরণ: ভিটামিন দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, প্রানীদের যকৃৎ, মাছের যকৃৎ নিঃসৃত তেল, মাখন, উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম, ঢেঁকিছাটা চাল, লাল আটা, ছোলা, মুগ, বীট, গাজর, মটরশুঁটি, পালংশাক, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, লেবু, আম, আমলকি, আপেল ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। ভিটামিনের এই সব উৎসের মধ্যে দুধ, ডিম, পালংশাক, টমেটো, মটরশুঁটি, কলা, আপেল ইত্যাদিতে বেশীর ভাগ ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন এ এবং ডি এর উৎস মোটামুটি এক, যেমন : কড্, হ্যালিবাট যকৃত নিঃসৃত তেল (লিভার অয়েল), মাখন, দুধ, ডিম,গাজর, বাঁধাকপি, ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র:
  • উইকিপিডিয়া।
  • কালের কণ্ঠ। 
  • Edited: Natural Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.