First Aid Present

Lifestyle Modification এবং প্রাকৃতিক খাদ্য, পানীয়, শাকসবজি, গাছ, ডালপালা, ফল, মসলা, পাতা ও ফুল ইত্যাদির দ্বারা প্রাথমিক চিকিৎসা।

জ্বর মানেই করোণা নয়

জ্বর কিংবা ঠান্ডা মানেই করোনা নয়। তাই শুধু এমন লক্ষণ দেখা দিলেই হাসপাতালে না ছোটার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, জ্বর হলেই আতঙ্কিত না হয়ে, হতে হবে সচেতন।

দিন দিন ভয়াবহ থেকে ক্রমশ অতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস নিয়ে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত। অপরদিকে ঋতু পরিবর্তনের কারণে জ্বর-কাশি প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ফলে এই সংক্রমণকে অনেকে করোনার সঙ্গে গুলিয়ে বাঁধাচ্ছেন বিপত্তি। 

তাই করোনা সংক্রমণ আর সাধারণ জ্বর এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য করবেন কী করে- সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিল গুরতু।

তিনি বলেছেন, করোনা আক্রান্ত হলে প্রথম ১০ দিনে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর থাকবে। কারণ এই ভাইরাসের প্রকোপ মানব দেহে ১০ দিন জারি থাকে। আর সঙ্গে শুকনো কাশি।

ওই চিকিৎসক আরও বলেছেন, যেটা ভাইরাল জ্বর বা সাধারণ জ্বর (ফ্লু), অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তনের জেরে হয়ে থাকে, সেটায় জ্বরের সঙ্গে সর্দি, নাক বন্ধ, গলা খুশখুশ হয়। কিন্তু করোনাতে নাক বন্ধ কিংবা সর্দির লক্ষ্মণ দেখা যায় না। এই ভাইরাস সোজা শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে, তাই শুকনো কাশির সঙ্গে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর শরীরকে দুর্বল করে তোলে।

তবে টানা জ্বর, শুকনা কাশি ও শ্বাসকষ্ট কোভিড-নাইন্টিনের লক্ষণ। কোন কিছুর গন্ধ এবং স্বাধ না পাওয়াটাও করোনার লক্ষণ।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে শুধু আইসোলেশন নয়, প্রতিটি জেলায় জেলায় হচ্ছে গণকোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা।

যেকোনো জ্বর হাঁচি কাশিতেই হাসপাতাল কিংবা আইইডিসিআরের দিকে ছুটছে মানুষ। কিন্তু এসব লক্ষণ মানেই কি কোভিড নাইনটিন?

করোনার এই প্রজাতিতে সংক্রমণ হলে সব সময় জ্বরই থাকে। তবে অন্য ভাইরাস জ্বরে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। আবার অনেক সময় করোনার তাপমাত্রায় বেশী থাকে এটা নির্ভর করে অবস্থা ভেদে। সাধারণ ঠান্ডা, জ্বর কিংবা এলার্জিজনিত সমস্যায় মাথা ব্যথা থাকলেও কোভিড নাইন্টিনে মাথাব্যথা হতে পারে। থাকতে পারে সাধারণ ব্যথাও। অন্য ভাইরাসজনিত জ্বরের মতো অবসাদ কিংবা দুর্বলতা না থাকলেও মাঝে মধ্যে এমনটা হতে পারে। তবে সর্দি, কাশি কিংবা বার বার হাঁচির লক্ষণ কোভিড নাইন্টিনের। আবার অন্য জ্বরের ক্ষেত্রে গলাব্যথা থাকলেও কোভিড নাইনটিনের বেলায় তা বারবার অনুভূত হবে। তবে অন্য জ্বরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা তেমন না হলেও করোনা মারাত্মক হলে এ সমস্যা প্রকট হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইউজিসি অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সচেতন থাকতে হবে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে বেশি সচেতন থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: 

  • মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইউজিসি অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ,
  • মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিল গুরতু, ভারত,
  • সময় টিভি। 
  • যুগান্তর।
  • Edited: Natural_Healing.

কোন মন্তব্য নেই

Popular Post

Blogger দ্বারা পরিচালিত.